দেশি পোশাকের দিকেই ঝুঁকছেন তরুণ-তরুণীরা

আমাদের নতুন সময় : 30/06/2015

Bangladesh290615M-07জসিম উদ্দিন বাদল : ভারত ও পাকিস্তানের রঙবেরঙয়ের বাহারী আইটেমের পোশাকে মার্কেটগুলো সয়লাব হলেও দেশীয় পোশাকের দিকেই ঝুঁকছেন ক্রেতারা। হাতের নাগালে দাম, বৈচিত্রতা ও টেকসই হওয়ায় দেশী পোশাকে ফিরতে শুরু করেছে তরুন-তরুণীরা। গতকাল রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং মল, গাউছিয়া ও নিউমার্কেটসহ কয়েকটি মার্কেট এরপর ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, এবার দেশীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এসেই দেশীয় পোশাক খোঁজ করছে। তবে ভারতীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ আগের মতোই রয়েছে।
কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, জননী-১ ও ২, অরূপ, রূপসী, উয়ারী, ময়ূরীসহ বিভিন্ন নামে ফোর টাচ ও গাউনের নানা আইটেমের থ্রী-পিস রয়েছে। এগুলোর উপরে কটি দেওয়া। কটিতে নানা বুটিক দিয়ে কারুকাজ করা। দেখতে অনেকটা ভারতীয় জামার মতোই। কিছু চতুর দোকানদার কারিনা, সারা-রা, কিরণ মালা এ জাতীয় নাম দিয়ে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছে এসব পোশাক।
রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং মলের অর্নিমা সিটি, সাফিয়া ফ্যাশন, দিবা স্টল ও গাউছিয়া মার্কেটের বেশ কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখা গেছে, এভাবেই দেশীয় পোশাককে বিদেশী পোশাক হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেটসআই, সাদাকালো, দর্জীবাড়িসহ দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোতে ছিলো উপচে পড়া ভিড়।
দোকানের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বসুন্ধরা শপিং মলের এক দোকানদার বলেন, কিরণ মালা নামে বেশ কয়েকটি জামা বিক্রি করেছি। আসলে ভারতীয় কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতীয় বললে তরুণীরা বেশি আগ্রহী হয়, দামও একটু ভালো পাওয়া যায়। সেজন্য আমরা দেশী জামা হলেও ভারতের বিভিন্ন সিরিয়িালের নায়িকার নাম দিয়ে বিক্রি করি। তবে ওই সব নায়িকার পরিহিত পোশাকের সাথে অনেকাংশে ডিজাইন মিলে যায়। এটাই আমাদের সুবিধা।
একটি জামা দেখিয়ে তিনি বলেন, এই থ্রী-পীসের দাম ৩৫ হাজার টাকা হাঁকছি। কিন্তু গায়ে দাম লিখিনি। যার কাছ তেকে যা নিতে পারি। বাকিটা বুঝে নেন।
দেশি ফ্যাশন হাউস সাদা-কালোর চেয়ারপারসন তাহসীনা শাহীন বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে কিছু ক্রেতা ৪০ বা ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি থ্রী-পিস কেনেন। এ ধরনের ক্রেতার সংখ্যা কম। তবে প্রতি ঈদেই দেশীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের পছন্দের মাত্রা বাড়ছে। একদিন হয়তো ভারত বা বিদেশি পোশাকের চাহিদা কমে যাবে।
এ বিষয়ে ইস্টার্ণ প্লাজা দোকান মালিক সমিতি ও গাউছিয়া মাকেটের সেক্রেটারি মালিক কবির নাওয়াজ বলেন, অনেকেই দেশী ভারতীয় বলে বিক্রি করে। কিন্তু আদৌ ভারতীয় কি-না সেটা ক্রেতারা যাচাই করে না। এটা ক্রেতাদের দূর্বলতা। তবে দামে ও মানে দেশী পোশাকই উত্তম।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]