‘এর নাম সৎ সাংবাদিকতা না…’

আমাদের নতুন সময় : 06/07/2015

নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী আবারও জাতীয় সংসদে কলের লাঙল কেনায় ভর্তুকির অর্থ বরাদ্দ নিয়ে প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে অসৎ সাংবাদিকতার অভিযোগ করেছেন।

গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ঝিনাইদহে কলের লাঙল কেনার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোর প্রতিবেদকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি প্রথম আলোর উদ্দেশে বলেন, যতই বানোয়াট নিউজ ছাপান না কেন, এতে যে আমি খুব একটা উত্তেজিত হবো, এমন না। তারা তাদের ইচ্ছামতো নিউজ করে এবং সেভাবে পাঠকদের বিভ্রান্ত করে। সংসদে বিবৃতি দেন মতিয়া চৌধুরী। ওই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিত সংবাদ প্রকাশের পর আবারও বিবৃতি দেন মতিয়া। সর্বশেষ গত ২ জুলাই পত্রিকাটি ‘প্রথম আলোর খবর অসত্য নয়, এখনও পাঁচজন লাঙল কেনেননি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার আবার সংসদে এনিয়ে কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
প্রথম আলোর সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ জুলাই মন্ত্রণালয় আবার তদন্ত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই তদন্তে প্রথম আলোর সংবাদ ‘অসত্য’ বলে প্রমাণিত হয়েছে। ঝিনাইদহে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদকের প্রসঙ্গে মতিয়া বলেন, জনাব আজাদ রহমান ’৯১-৯৬ সালে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮-২০০০ মেয়াদে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রাক্তন মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের লোকসমাজ পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
ভর্তুকি দেওয়া প্রসঙ্গে মতিয়া বলেন, একজন কৃষক ৭৫ ভাগ টাকা জমা দিলে পরে কিনতে পারে। তাও কাগজপত্র নিশ্চিত হওয়ার পর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকির টাকা দেওয়া হয়। কোনো ব্যক্তিকে এই টাকা দেওয়া হয় না। মূলত এই বিষয়টি হয়তো প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ বোঝে না অথবা বুঝেও না বোঝার চেষ্টা করছে… অথবা এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য নিহিত আছে। সম্পাদনা : আলাউদ্দিন

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]