প্রধানমন্ত্রী যখন বিজ্ঞাপনের মডেল: গয়েশ্বর

আমাদের নতুন সময় : 09/07/2018

শিমুল মাহমুদ: দেশে যখন নির্বাচনের বাতাস বইছে সরকার তখন জনপ্রিয়তা বাড়াতে কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন খরচ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, আমরা জানি মার্কেটে যেকোনো পণ্যের মান সম্পর্কে জানা থাকলে বিজ্ঞাপন লাগে না।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বেচ্ছাসেবক ফোরাম কেরানীগঞ্জ কতৃক আয়োজিত এক প্রতিবাদ তিনি এসব কথা বলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তিনি একটি বিজ্ঞাপনের মডেল। উন্নায়ন প্রচারে তিনি বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। বিভিন্ন চ্যানেলে দশ মিনিট পর পর উনার এবং উনার ছেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়।
মিথ্যাকে বার বার জনগণের কাছে প্রস্থাপনের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। জনগণের মাথা থেকে সত্য গুলো যেনো হারিয়ে যাই। এই জন্যই তিনি বারবার এভাবে হাজির হন। অর্থাৎ বুঝতে হবে তিনি জনগণের কাছে কতটা জনপ্রিয়।
মানুষের কাছে যখন কোন পন্যের মান অজানা থাকে। তখন নতুন আর্কষনীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার প্রয়োজন পড়ে। আজকে ১২ বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমতায় থেকেও সরকারকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করতে হয়।
যদিও বিজ্ঞাপনেও মানুষ তাদের উন্নয়ন খুঁজে পায়না। আজকের পত্রিকা খুললেই দেখা যায় গুম-খুন নারী ধর্ষণ শিশু অপহরণ ব্যবসায়ী নিখোঁজ ইত্যাদি।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা একটি একটি সীমাবদ্ধ কক্ষের মধ্যে প্রতিবাদ সমাবেশ যতই জোরালো ভাবে করি না কেন। ক্ষমতাসীনদের কানে পৌছাবেনা, আমাদের এই প্রতিবাদ সমাবেশ বাসার মধ্যে না করে বাস্তবে রাস্তার মধ্যে অতীতের মত করতে হবে। আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে আন্দোলন করে গেছেন সেই ভাবে আমাদেরকে মাঠে নেমে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হবে। আন্দোলনের বিকল্প নাই।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র নামক শব্দটি আওয়ামীলীগের মনেও নাই, তাদের ভাবনাতে ও নাই। তাদের আচরণেও নাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা ষড়যন্ত্র বিশ্বাস করে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।
সুতরাং যাদের ক্ষমতায় মুখ্য তাদেরকে কাছে আদর্শের কোন মূল্য নাই। তাদের বিবেকের কাছে কোন প্রশ্ন নাই। কারণ তাদের বিবেক মৃত।
কোটা সংস্কার বিষয়ে গয়েশ্বর বলেন, আজকে মেধাবী ছাত্রদের দাবিটা কি আপনাদের জানতে হবে। কোটা সংস্করণ করা এবং মেধাকে প্রাধান্য দেওয়া। আজকে নিত্য জাতিগোষ্ঠীর নামে এবং মুক্তিযুদ্ধের নামে একক ভাবে ব্যবহার হচ্ছে। ভারতে একটি কোটার জন্য পরিবারে একজন সুবিধা পাবেন। অথচ বাংলাদেশ নাতীয় পাবেন পুতিয় পাবেন অর্থাৎ জন্ম-জন্মান্তর এই সুবিধা ভোগ করবে। তাহলে মেধাবীরা যাবে কোথায়? আজকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নিয়ে কম মেধাবীরা এই সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]