লবণ দিয়ে পরিশোধ

আমাদের নতুন সময় : 24/07/2018
নিশি মল্লিক
তোমরা পৃথিবীর লবণ মথি ৫:১৩ পদ।
‘মা, আমাদের লবণ কি আবার ফুরিয়ে গিয়েছে? সবকিছু আলুনী লাগছে!’
‘আমি জানি বাবা, কিন্তু কি করব, আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে এর আগে লবণ পাব না।’
যুদ্ধের সময় বামর্¥ায় লবণ রেশন সামগ্রী ছিল। ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটা মিশনারী পরিবারের জন্য সপ্তাহে পঞ্চাশ গ্রাম লবণ দেওয়া হত। মা যদি পাউরুটি বানাতেন তাহলে লবণের আরও টান পড়ত!
একদিন ঐ পরিবারের বাবা রেল স্টেশনে দেখেন এক মহিলা তার গাড়ীটা মাল গাড়ীর দরজা দিয়ে বের করতে পারছেন না। বাবা কিছুক্ষণ লক্ষ্য করে মহিলার কাছে গেলেন।
‘আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?  মহিলা প্রায় কেঁদেই বললেন, ‘আপনি সাহায্য করলে আমি খুব খুশী হব।’ খুব তাড়াতাড়ি মালগাড়িটা নামিয়ে আনলে পরে মহিলা বাবাকে কিছু মজুরি দিতে উদ্যত হলে বাবা বললেন, ‘ না না, পয়সা নেবার কথা আমি চিন্তাও করতে পারি না। আজকের দিনের জন্য একটা ভাল কাজ করলাম।’ ‘কিন্তু আমি আপনাকে এই সাহায্যের বিনিময়ে কিছু দিতে চাই।’ ‘ও কথা বাদ দিন আমি আপনাকে সাহায্য করে খুব খুশি হয়েছি।’
মহিলা একটু ইতস্ততঃ করে আবার বললেন, ‘ঠিক আছে, যে গাড়িটা আপনি এখনই নামিয়ে সাহায্য করলেন। ওখানে বামর্¥া থেকে আনা এক বস্তা লবণ আছে পয়সার বদলে কিছু লবণ নেবেন? আপনি দিলে আমি খুশি হয়ে নেব।’
লবণ! সে এক অন্য ব্যাপার। বাবা তো লবণ পেলেই খুশি হবেন!
আপনি কি কখনও লবণ ছাড়া কিছু খেয়ে দেখেছেন? বিশ্রী লাগে।
আমরা যদি আমাদের প্রেমময় চিন্তাশীল জীবনযাপন করে অন্যকে যীশুর কাছে জয় করে আনতে পারি, তাহলে, আমাদের বিষয়ে বলা যেতে পারে, ‘তোমরা পৃথিবীর লবণ।’



সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]