আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারি ক্যাথিড্রাল চার্চ

আমাদের নতুন সময় : 29/07/2018

খ্রিস্টীয় দর্পন ডেস্ক

কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে চারশো বছরের পুরানো ক্যাথিড্রাল চার্চ। নগরীর পাথরঘাটা বান্ডেল রোডে অবস্থতি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনার এ ভবনটি দেশের সবচয়ে প্রাচীন গির্জা।
১৬০০ সালের ৮ নভম্বের, পর্তুগীজ খ্রিস্টান ব্যবসায়ীরা প্রার্থনা করতে এ গির্জা তৈরি করেন। ‘আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারি ক্যাথিড্রাল চার্চ’ নামে এ গির্জা রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান গির্জা। স্থানীয়ভাবে এটি বান্ডেল ক্যাথলিক চার্চ নামেও পরিচিত। পর্তুগীজ আমলে নির্মিত এই গির্জার ভেতরে দেয়ালের স্তম্ভগুলো আকর্ষণীয় কারুকাজে তৈরি। গির্জাকে ঘিরে রয়েছে সাধারণ ও পুরোহিতদের আলাদাভাবে নির্মিত সমাধিস্থল। প্রতিদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা প্রার্থনায় মিলিত হয় গির্জায়। প্রতি রোববার সকাল সাড়ে ছয়টা, বিকাল সাড়ে চারটা ও সন্ধ্যা ছয়টায় অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ প্রার্থনা সভা। ভেতরে আর বাইরে বসতে পারে পাঁচশোর বেশি মানুষ। টিনের ছাউনি দেয়া প্রাচীন এ গির্জার পাশইে পরিকল্পিতভাবে সাজানো রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নারী পুরুষের সমাধি। পাথরঘাটার এ গির্জাকে কন্দ্রে করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ টি গ্রামীণ স্কুল, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি জুনিয়র বিদ্যালয়, চারটি উচ্চ বিদ্যালয় একটি কলেজ ও একাধিক আবাসিক হল গড়ে উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে পর্তুগীজ খ্রিস্টান ব্যবসায়ীরা আসে ১৫১৮ সালে। তবে ১৫৩৭ সাল থেকে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। প্রথম মিশনারি ছিল তিনটি। তাহলো-সন্ন্যাসব্রতী, প্ররৈতিকি এবং জেসুইট সংঘ। সেন্ট জন দ্যা ব্যাপ্টিস্ট নামে প্রথম গির্জা স্থাপতি হয় ১৬০০ সালের ২৪ জুন। দুই বছর পর সেটি ধ্বংস করা হয়। প্রথম গির্জার ধ্বংসস্তুপ পরে উপর পরবর্তীতে ‘পবিত্র জপমালা রাণী’ নামে গির্জা এবং ১৮৪৩ সালে বিশপ ভবনের দালানটি নির্মাণ করা হয়। ১৬০০ সালে নগরীর জামালখানের গির্জাটিও তৈরি করা হয়।
খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে প্রাচীন গির্জা রয়েছে পনেরোটি। এরমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাথরঘাটা বান্ডলে রোডে অবস্থতি ‘আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারি ক্যাথিড্রাল চার্চ’ সবচেয়ে প্রাচীন গির্জা।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]