পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরির শুটিং লোকেশন এফডিসির কালার ল্যাব!

আমাদের নতুন সময় : 02/11/2018

ইমরুল শাহেদ : এফডিসির কালার ল্যাবে পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরির শুটিং হলো পরিচালক সাদেক সিদ্দিকীর সাহসী যোদ্ধা ছবির। তাতে অংশ নিয়েছেন পপিসহ আরো কয়েকজন। পরিচালকের সহকারী গাজী ফারুক বলেন, আমাদের ছবির শেষ দৃশ্য গ্রহণের জন্য একটি পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরির দরকার ছিল। অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমরা এই ল্যাবটিকেই বেছে নিলাম। কাজ করতে গিয়ে মনে হলো আমরা ভুল করিনি। এফডিসির এই কালার ল্যাব দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ কালার ল্যাবগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যখন ফিল্ম নেগেটিভে চলচ্চিত্রের শুটিং হতো তখন এই কালার ল্যাবের শিডিউল পাওয়া ছিল কষ্টসাধ্য। অনেক সময় ঈদের ছবি নিয়ে ল্যাব কর্মচারিরা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়তেন যে ঈদের ছুটিও কাটাতে পারতেন না। সেই ল্যাব এখন পরিত্যক্ত।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এফডিসির এক কর্মকর্তা জানালেন, এই ল্যাবটিতে গত ৪ বছর ধরে চলচ্চিত্রের কোনো কাজ হয় না। কাঁচা ফিল্মের প্রচলন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ল্যাবটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। যন্ত্রপাতিগুলো অব্যবহৃত থাকতে থাকতে অকেজো হয়ে পড়েছে।

ল্যাবের অকেজো হয়ে পড়া যন্ত্রপাতিগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য বলতে গিয়ে উল্লিখিত কর্মকর্তা বলেন, বিশ্বজুড়ে এসব যন্ত্রপাতি এখন অচল হয়ে পড়লেও এগুলোর বর্তমান দাম একশ কোটি টাকার ওপরে। কিন্তু এগুলো অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলোকে এখন মিউজিয়ামের উপাদান বলা যেতে পারে। এফডিসি ল্যাবকে মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহার করা হলে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগেই থাকবে, সন্দেহ নেই।’

বাস্তবতা হচ্ছে, ল্যাবের এই যন্ত্রপাতিগুলো এখন আর কোনো কাজে আসবে না। মানুষ ডিজিটালাইজেশনের যুগে প্রবেশ করার পর অনেক কিছুই পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। এফডিসির কালার ল্যাবটিও তার একটি। এখানে এখন সাহসী যোদ্ধার শুটিং হলেও তা হয়তো এখানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শুটিং হবে আরও ছবির। ব্যবহৃত হতে থাকবে শুটিং লোকেশন হিসেবে। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব হোসেন

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com