জামালপুরে যত্রতত্র ইটভাটা, হুমকির মুখে পরিবেশ-কৃষি

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2018

খাদেমুল বাবুল, জামালপুর : জামালপুরে কৃষি জমি অকৃষি দেখিয়ে অবাধে গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও শহরকেন্দ্রীক গড়ে উঠা শতাধিক ইটভাটার কারণে এলাকার পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব ইটভাটার কালোধোঁয়ায় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও কৃষিখাত মারাতœক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত  হচ্ছে। এলাকাবাসী জানায়, ইটভাটার আশপাশে ধান, সবজী, আম-কাঁঠাল ও নারিকেলসহ বিভিন্ন জাতের দেশীয় ফল উৎপাদন নাই বললেই চলে। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার অধিকাংশ ইটভাটা গড়ে উঠেছে পৌরশহর সংলগ্ন এলাকার কৃষি জমির উপর ভিত্তি করে। মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন বলেন, ৩০ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট্ট এই ইউনিয়নটিতে রয়েছে ১১টি ইটভাটা। এসব ইটভাটার কারণে এই ইউনিয়নে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কৃষি জমি কমে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই এলাকার কৃষকরা। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এসব ইট ভাটার মাটি অবৈধ ট্রাক্টরও ভটভটি দিয়ে আনা নেওয়া করায় রাস্তাঘাটের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।  মেলান্দহের জালালপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন নবনির্মিত ইটভাটার মালিক আরিফুর রহমান উজ্জল বলেন, কৃষি বিভাগের ছাড়পত্র, প্রশাসনের অনুমতি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করে ইটভাটার কাজ করছি। তার ইটভাটায় এলাকার পরিবেশ ও ফসলের কোন ক্ষতি হবে না।   জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৭৮টি ইটভাটার হিসাব পাওয়া গেছে। তবে বাস্তবে এর সংখ্যা আরো বেশি হবে বলে জানা গেছে। চলতি বছরই নতুন করে ১১টি ইটভাটার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব ইটভাটার মধ্যে ৩টির লাইসেন্স এবং ৫টি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র থাকলেও বাকী সব চলছে অবৈধ ভাবে। জেলা প্রশাসক আহম্মেদ কবির বলেন, পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া এবং পরিবেশ সম্মত না হলে ইটভাটা নির্মাণ করা যায় না। জনবসতির এবং কৃষির ক্ষতি না হয় সেভাবেই ইটভাটা করতে হবে। তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : টি এম হুদা

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com