প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ নওগাঁর পতœীতলায় ঠাঁই পেলের ৩৩০ দুঃস্থ পরিবার

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2018

কাজী কামাল হোসেন, নওগাঁ : নওগাঁর পতœীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন ৩৩০ দুঃস্থ্য পরিবার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিসের প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে উপকারভোগীরা একটি বসতঘর ও একটি টয়লেট পেয়েছেন। প্রথম পর্যায়ের বরাদ্দকৃত ঘরগুলোতে ইতিমধ্যে উপকারভোগীরা বসবাস শুরু করেছে আর দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘর নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পতœীতলা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের অধীনে ‘যাদের জমি আছে, ঘর নেই তাদের নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নে ১ম পর্যায়ে ২০০টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৩০টিসহ ৩৩০টি পরিবারকে বসতঘর নির্মাণের বরাদ্দ আসে। টিনের বেড়া, ছাউনী ও পাকা মেঝে বিশিষ্ট প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ আসে এক লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে দুই দফায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বরাদ্দ আসার পর পরই এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় ঘর পেয়েছেন পতœীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের কোতয়ালী তালপুকুর গ্রামের তাহিরুন্নেসা বেওয়া (৭৫)। তিনি ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন নির্বাহ করে থাকেন। তাহিরুন্নেসা বলেন, ‘এত দিন হামার কোনো মাথা গোঁজার ঠাঁই আছিল না। এর-ওর বান্দাত থ্যাকা জীবন পার করছি। কথা হয় প্রকল্পের আওতায় ঘর পাওয়া উপকারভোগী তালপুকুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, চকশ্রীপুর গ্রামের খলিলুর রহমান, শ্রীপুর গ্রামের কাজল বিবি ও কার্তিক কুমার দাসের সাথে। তারা জানান, বিনামূল্যে ঘর পেয়ে তাঁরা খুশি। এক লাখ টাকায় ঘর ও টয়লেট নির্মাণের কাজ যথেষ্ট ভালো হয়েছে। ঘোষনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, যাদের ইউনিয়নে জমি আছে, ঘর নেই- এ ধরণের ৬৩০টি পরিবার রয়েছে। সম্পাদনা : টি এম হুদা

 

এর মধ্যে ৩৩০টি পরিবারকে সরকার তাঁদের জায়গায় থাকার ঘর ও টয়লেট নির্মাণ করে দিয়েছে। বাকি ৩০০ পরিবারকেও মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় সাংসদ শহীদুজ্জামান সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুবুর রহমান বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা মতে সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। পীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম জানান, এই প্রকল্পের অধীনে যে ৩৩০ অসহায় পরিবার ঘর পেয়েছে তাঁরা বেশ খুশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পীতলা উপজেলায় শুধুমাত্র ঘোষনগর ইউনিয়নে এই বরাদ্দ আসে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com