মেহজাবীনের অভিযোগে অলিকের ব্যাখ্যা

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2018

বিনোদন  ডেস্ক : এসএ হক অলিক ও মেহজাবীন রাত ১১টার পর শুটিং নয়- গত বছর এমন একটি নিয়ম করেছিল টিভি নাটক নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড। সে সময়টাতে শুটিং স্পট গুলোতেও মানা হতো নিয়ম।

প্রথম দিকে বেশ তোড়জোড়ও ছিল। কিন্তু জুন মাসে ঈদ আয়োজনের আগ দিয়ে বিষয়টিতে অস্থিরতা দেখা দেয়। সেই যে শুরু এরপর এখনও অনেক শুটিং স্পটে এভাবেই চলছে শুটিং। এবার গুরুতর এ বিষয়টির প্রকাশ্যে প্রতিবাদ ও অনুরোধ জানিয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গত ৬ নভেম্বর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বাংলা ও ইংরেজিতে বড় একটি লেখা লেখেন এ শিল্পী। বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকজন তারকার সঙ্গে কথাও হয় সংবাদ মাধ্যমকে। তারাও এটি স্বীকার করেন, মানা হচ্ছে না শুটিং নিয়ম। তারা জানান, অনেক পরিচালক-প্রযোজকের কারণেই মধ্যরাত অবধি কাজ চালিয়ে যেতে হয়। আর এতে জুনিয়র শিল্পীদের অবস্থা আরও শোচনীয়। এদিকে গত জুনে বিষয়টি নিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক বলেছিলেন, ‘যখন নিয়ম তৈরি করি, তখনই বলাই ছিল ঈদের সময় এটা শিথিল করা হবে। তবে ঈদের পর থেকে আবার আগের নিয়মে সবকিছু চলবে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি ফেসবুকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বড় একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘আমরা যারা অভিনয় ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত তারা যেন সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা অবধি শুটিং করার যে নিয়মটা আছে, সেটা মেনটেইন করি। এছাড়া যদি আমাকে সকাল ৬টায় দরকার হয়, তাহলে বিকাল ৬ টার মধ্যে আমাকে ছেড়ে দিতে হবে। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করাটা মানসিক ও শারীরিক দুইভাবেই হ্যাম্পার করে আমাদের। এবং পরের দিন যে শিডিউলটি আমি অলরেডি লক করে রাখি এবং নিজের শতভাগ দেওয়ার কথা দিয়েছি, সেটি আগের দিনের ‘লেট নাইট’-এর জন্য নানাভাবে হ্যাম্পার হয়। এতে করে আমার সাথে কাজ করা অন্য ডিরেক্টর, টিম বা কোআর্টিস্টও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কাজটি শতভাগ হচ্ছে না একই সঙ্গে। আমরা বেস্ট আউটপুট দিতে পারছি না।’

প্রসঙ্গটি নিয়ে এ অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা হয় সংবাদ মাধ্যমের। তিনি বলেন, ‘সময় সূচি শতভাগ মানা হচ্ছে না, এটা ঠিক। অনেক জায়গা আমি মূল আর্টিস্ট বলে আমাকে টাইমলি ছেড়ে দেয়। কিন্তু অন্য শিল্পীদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবারও ঘটনা ঘটে। কিন্তু পুরো বিষয়টিই তো একটা টিম ওয়ার্ক! এটা হওয়াটা আরও দুঃখজনক।

 

তার এই মতের সঙ্গে সহমত অনেকেই প্রকাশ করেছেন। এরমধ্যে অভিনয়শিল্পী জোভান, শেহতাজসহ আরও কয়েকজন জানান, তারাও চান বিষয়টি মানা হোক। মূলত দুটি শিফটে কাজ হয় শুটিংবাড়িগুলোতে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা একটা শিফট এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত আরেকটা। তবে যদি কেউ রাত ১১টার পরে শুটিং করেন, তার জন্য আলাদা শিফট নির্ধারিত হয়।

অলিক বলেন, তার দেখার জন্য কোনও কি মনিটরিং টিম আছে- এমন প্রশ্নে এই নির্মাতা বলেন, ‘না, এটা নেই। এটা সম্ভবও নয়। কারণ আমাদের সাড়ে ৫ শ পরিচালক কাজ করেন। এটা করতে পারলে আমাদেরই ভালো হতো। তবে মেহজাবীন যে বিবৃতি দিয়েছে, তার সত্যতা অবশ্যই আছে। কিছু ঘটেছে বলেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি যদি সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের জানান, আমরা অবশ্যই এগুলোর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। সম্পাদনা : আশরাফ রাসেল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com