৩০ বছর বাঁশের সাঁকোতে পারাপার

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2018

নোয়াখালী প্রতিনিধি : রাস্তা ভেঙে পুকুরে চলে যাওয়ায় ৩০ বছর ধরে ভোগান্তি পোহাচ্ছে মাইজদী শহরতলীর অদূরে কয়েকটি গ্রামের মানুষ। নোয়াখালী জেলা শহরে যেতে এ সড়কই ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু ভাঙা সড়কে সরু একটি বাঁশের সাঁকো থাকায় বাইসাইকেলের মতো ছোট যানবাহনও চলাচল করতে পারে না। তিন যুগ ধরে দৈনন্দিন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ ফুটের এ সাঁকো।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গ্রাম থেকে জেলার শহরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভাঙা সড়কটি বাদেও তিন-চারটি সড়ক রয়েছে।

কিন্তু সবগুলোই চলাচলের অনুপযোগী। এসব সড়ক শেষ কবে সংস্কার করা হয়েছে, তা ভুলে গেছেন তারা। ফলে পুকুরে আংশিক ধসে যাওয়া সড়কটিতে চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছেন তারা। সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের গোপীনাথপুর-বাহাদুরপুর সড়কটির চুল্লার মোড় এলাকায় ১৫০ ফুটের মতো অংশ পুকুরে ধসে গেছে অন্তত তিন দশক আগে। এ পর্যন্ত স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলের (এলজিইডি) পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে গোপীনাথপুর, বাহাদুরপুর, দেবীপুরসহ পাঁচ-ছয়টি গ্রাম অনেকটা বিচ্ছিন্ন জনপদে পরিণত হয়েছে। গ্রামবাসীর উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার মানুষ যাতায়াত করছে।

পণ্য পরিবহন, অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেয়া বা মৃতদের সতকারে অতিরিক্ত দূরত্বের বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষার্থী ও শহরগামী মানুষকে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এলজিইডি, নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুস ছাত্তার বণিক বার্তাকে বলেন, তাদের কোডভুক্ত হলে এত দিন সড়কটির এ অবস্থা থাকার কথা নয়। তার পরও বিষয়টি তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন। তার দপ্তরের আওতাভুক্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]