মৃত মাছকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হবে নরওয়েজিয়ান ক্রুজ লাইনারে!

আমাদের নতুন সময় : 28/11/2018

আসিফুজ্জামান পৃথিল : বিশ^জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ক্রুজ লাইনারগুলো বিস্ময়করভাবে গ্রীন হাউজ গ্যাস এবং দূষণের বড় রকমের উৎস। তবে নরওয়েজিয়ান ক্রুজ ওপারেটর হারটিগুরটেন জানিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে কার্বন নিরপেক্ষতার দিকে এগিয়ে  যাচ্ছে। এজন্য এক অভিনব পরিকল্পনা করো হয়েছে। মৃত মাছ এবং মাছের উচ্ছিষ্টকে ব্যবহার করা হবে জাহাজের জ¦ালানী হিসেবে! সায়েন্স অ্যলার্ট।

নরওয়েকে বলা হয় জেলেদের দেশ। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ মৎসশিল্প এই দেশেই অবস্থিত। এ কারণে প্রতিদিন প্রচুর মৃত ও পঁচা মাছ এবং মাছের উচ্ছিষ্ট জমা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী এসব মৎস উদ্বৃত্ত অন্যান্য জৈব বর্জ্যরে সঙ্গে মিলিয়ে বানানো হবে তরল বায়োগ্যাস। হারটিগুরটেন এর প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল শেজদাম এএফপিকে বলেন, ‘অন্যরা যেটিকে সমস্যা হিসেবে দেখে, আমরা তাকে সম্পদ এবং সুুযোগ হিসেবে দেখি। বায়োগ্যাসকে ক্রুজ জাহাজে জ¦ালানী হিসেবে ব্যবহার শুরুর মাধ্যমে আমরাই হবো প্রথম ক্রুজ কোম্পানি যারা জীবাশ্ম জ¦ালানীর ব্যবহার করে না।

বায়োগ্যাস পরিবেশের জন্য ভালো বলে বিবেচিত জ¦ালানী। জৈব পদার্থ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ভেঙে এটি তৈরী করা হয়। এতে সামান্য হাইড্রোজেন সালফাইড থাকায় এর গন্ধ পঁচা ডিমের মতো। তবে এতে মূলত থাকে মিথেন এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড। বায়োগ্যাসকে পরিশোধন এবং চাপ দিয়ে তরল বায়োগ্যাস বানানো হয়। সম্পাদনা : নুসরাত শরমীন




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]