এরশাদ ‘স্বৈরাচার’ কিন্তু এখনো বহাল রাজনীতিতে

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2018

দেবদুলাল মুন্না : সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন গতকাল ৬ ডিসেম্বর  ১৯৯০ সালে। আওয়ামী লীগ ও  বিএনপি তখন যৌথভাবে গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো। কিন্তু সেসময় ক্ষমতা ছাড়তে হলেও প্রায় তিন দশক ধরে রাজনীতিতে টিকে আছেন এরশাদ ও তার দল জাতীয় পার্টি। এ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুকেও বেশকিছু পোস্ট লিখেছেন অনেকে। মোবারক মোল্লা লেখেছেন, ‘এরশাদের আমলের চেয়ে আমরা এখন কী ভালো আছি? তিনি স্বৈরাচার? কিন্তু বিগত খালেদা জিয়ার আমল বা বর্তমান সরকারের আমলে আমরা কী ফ্যাসিবাদী আচরণ দেখছি না? ’ নিখিলেশ অমল লিখেছেন, ‘বিশ্বে কোনো জেনারেল ক্ষমতা ত্যাগের পর  টিকে থাকেন নাই। ব্যাতিক্রম এরশাদ।’

বিবিসিকে অধ্যাপক রওনক জাহান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রধান দুই দলের কাছে ভোটের রাজনীতি প্রাধান্য পায়। সেই সুযোগে এরশাদ ও জাতীয় পার্টি রাজনীতিতে বৈধতা পেয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বিবিসিকে বলেন, ‘এরশাদের অবস্থান তৈরির ক্ষেত্রে ভোটারদের ভূমিকা রয়েছে।’

বিএনপির সিনিয়র নেতা নজরুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, ‘গণবিরোধী কেউ যেন রাজনীতিতে ঠাঁই না পান সে জন্য সব দলগুলোর মধ্যে চেষ্টা থাকা প্রয়োজন।’

লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন ‘এরশাদ একটি সিনড্রোম বা উপসর্গ। ‘স্বৈরাচার’ শব্দটি তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তিনি আলাদা করে চালু করেন রাষ্ট্রপতির সচিবালয়। ওটি এখনো বহাল আছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে। এটি এখন ক্ষমতার দরবার শরিফ।’

দিনটিকে আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’, বিএনপি ‘গণতন্ত্র দিবস’ এবং এরশাদের জাতীয় পার্টি ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবস’ হিসেবে পালন করতো একসময়। কোনো কোনো রাজনৈতিক দলগুলো এই দিনকে ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ হিসেবেও পালন করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে এরশাদের জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের মিত্র শক্তি। সম্পাদনা : রেজাউল

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]