বরেন্দ্রের মাটিতে ও বিনা চাষে ধান

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2018

মঈন উদ্দীন, রাজশাহী : বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি অত্যন্ত। এই মাটিতে বিনা চাষে ধান চাষের জন্য যখন কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের পরামর্শ দিলেন, তখন কেউই রাজি হচ্ছিলেন না। তাদের ধারণা, বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটিতে বিনা চাষে ধান আবাদ সম্ভব নয়। তবে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা চাষিদের পরীক্ষামূলকভাবে এই ধান চাষ করান। শেষ পর্যন্ত বরেন্দ্রের মাটিতেও বিনা চাষে ধান চাষ হয়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের কৃষক নওশেদ আলী এক বিঘা জমিতে বিনা চাষে ব্রি-ধান ৫২ জাতের ধান চাষ করেন। কয়েক দিন আগে তার জমির ধান কাটা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা সেদিন তার জমিতে উপস্থিত ছিলেন। নওশেদ জানান, এক বিঘা জমিতেই তিনি ফলন পেয়েছেন ২৪ মণ। আর খরচ হয়েছিল মাত্র আড়াই হাজার টাকা। বিনা চাষে ধান চাষ করে তিনি লাভবান হয়েছেন।

কৃষক নওশেদ আলী বলেন, স’ানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন তাকে বিনা চাষে ধান চাষের পরামর্শ দেন। কিন’ প্রথমে তিনি রাজি হননি। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তিনি রাজি হন। লাভবান হওয়ায় আগামী রোপা আমন মৌসুমেও তিনি এভাবে ধান চাষ করবেন। রাজশাহী কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, চাষিরা প্রথমে রাজিই হচ্ছিলেন না। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা অনেক বুঝিয়ে এবং ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে গোদাগাড়ীর পাকড়ি ইউনিয়নের ১ হেক্টর জমিতে চাষিদের এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করান। এখন ফলাফল ভালো দেখে চাষিরা আগামীতেও এভাবে ধান চাষ করতে চাইছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, বিনা চাষে ধান চাষ করে ধান কেটে ঘরে তুলতে মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন মাস সময় লাগে। এ পদ্ধতিতে খরচ অনেক কম এবং জমির মাটির গুণগত মানও ভাল থাকে। ফলনও পাওয়া যায় বেশি। আর সার বীজ ও কীটনাশক কম লাগায় কুষকরা অল্প খরচে ধানের চাষ করতে পারবেন। আগামীতে এই পদ্ধতির সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা। সম্পাদনা : মো.সবুজ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]