রাষ্ট্রব্যবস্থাপনায় বিদুর নীতি

আমাদের নতুন সময় : 29/12/2018

হস্তিনাপুরের রাজসভার প্রাজ্ঞ মন্ত্রী বিদুর। মহাত্মা বিদুর নামেও তিনি সুপরিচিত। একদিকে তিনি ভগবানের অত্যন্ত প্রিয় ভক্ত এবং অন্যদিকে তিনি তীক্ষè বুদ্ধিমত্তা ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন আদর্শ প্রশাসক। মহাভারত জুড়ে বিদুরের বহু জ্ঞানগর্ভ উক্তি পাওয়া যায়, যা বর্তমান সময়ের জন্যও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। মহাত্মা বিদুরের বহু নীতির মধ্যে ধৃতরাষ্ট্রের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন থেকে রাষ্ট্রব্যবস্থাপনায় রাজার কর্তব্য ও তৎসংশ্লিষ্ট কতিপয় নীতি এখানে তুলে ধরা হলো। (মহাভারত, উদযোগপর্ব, ৩৩ তম অধ্যায়)
বৈশাম্পায়ন বললেনÑ তারপর বিদুর ধৃতরাষ্ট্রের গৃহে প্রবেশ করে কৃতাঞ্জলি হয়ে চিন্তাবিষ্ট রাজাকে এই কথা বললেনÑ
“মহাপ্রাজ্ঞ, আমি বিদুর আপনার আদেশে আগমন করেছি। যদি কিছু কর্তব্য থাকে, তবে আমাকে আদেশ করুন।”
ধৃতরাষ্ট্র বললেনÑ “বিদুর, সঞ্জয় পা-বগণের নিকট হতে এসে আমাকে তিরস্কার করে চলে গিয়েছে; সে আগামীকাল সভায় যুধিষ্ঠিরের কথাগুলো বলবে। কিন্তু আমি আজ সেই কুরুবীরের বাক্য শুনতে পারলাম না; তাতেই আমার দেহ দগ্ধ হচ্ছে এবং তাতেই নিদ্রার ব্যাঘাত হয়েছে। উদ্বেগে ও উৎকণ্ঠায় আমি দগ্ধ হচ্ছি; এ অবস্থায় তুমি আমার পক্ষে যা ভালো বিবেচনা করো, তা বলো। কারণ, তুমিই আমাদের ধর্ম ও অর্থ বিষয়ে নিপুণ। যখন থেকে সঞ্জয় পা-বগণের নিকট হতে এখানে এসেছে, তখন থেকেই আমার মনে শান্তি নেই, সঞ্জয় কী বলবে, তা নিয়েই এখন আমার চিন্তা চলছে।
অতএব বিদুর, যুধিষ্ঠিরের সমস্ত অভীষ্ট বিষয়গুলো অনুমান করে আমাকে যথাযথভাবে বলো, যাতে আমাদের হিত হয় এবং সকল প্রজাও যাতে সুখী হয়, তাও আমার নিকট বলো।
বিদুর বললেনÑ “মহারাজ, শৌর্য প্রভৃতি লক্ষণসম্পন্ন রাজা ত্রিভুবনেরও অধিপতি হতে পারেন। যুধিষ্ঠির সেইরূপ লক্ষণসম্পন্ন বটে; তথাপি তিনি ভৃত্যের ন্যায় অনুগত ছিলেন বলে আপনি তাঁকে নির্বাসিত করতে পেরেছিলেন। এদিকে আপনি ধর্মাত্মা এবং ধর্মজ্ঞ হলেও অন্ধ বলে উক্ত রাজা হতে সম্পূর্ণ বিপরীত এবং রাজত্বে প্রজাদের অভিমতও নন। অনিষ্ঠুরতা, দয়া, ধর্ম, সত্য, পরাক্রম এবং আপনার ওপরে গুরুত্বজ্ঞান আছে বলেই যুধিষ্ঠির আপনার অন্যায় ব্যবহার দেখেও বহু ক্লেশ সহ্য করেছেন। দুর্যোধন, শকুনি, কর্ণ ও দুঃশাসনের ওপর প্রভুত্ব স্থাপন করে আপনি কেন সম্পদ কামনা করছেন?
রাজ্য কীভাবে নাশ হয়
কোনো ধনুর্ধর একটা বাণ নিক্ষেপ করলে, সে বাণ গিয়ে একজনকে বধ করে, নাও করে; কিন্তু বুদ্ধিমান ব্যক্তি বুদ্ধি প্রয়োগ করলে, সে বুদ্ধি রাজার সাথে সাথে রাজ্যকেও নাশ করে।
রাজা, আপনি একবুদ্ধি দ্বারা কর্তব্য ও অকর্তব্য দুইটি বিষয়কে নির্ধারণ করে সাম, দান, ভেদ ও দ-রূপ চারটি উপায় দ্বারা শত্রু, মিত্র ও উদাসীনকে বশীভূত করুন এবং পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয়কে জয় করে, সন্ধি-বিগ্রহ প্রভৃতি ছয়টি গুণ জেনে মৃগয়া প্রভৃতি সাতটি ব্যসন পরিত্যাগ করে সুখী হোন।
বিষ একজনকে নষ্ট করে এবং অস্ত্রও একজনকেই বধ করে; কিন্তু গুপ্ত মন্ত্রণার প্রকাশ রাজ্য ও প্রজাবর্গের সাথে রাজাকেও নষ্ট করে।
রাজা, যার দ্বিতীয় নেই এবং যাঁ একমাত্র, সেই সত্যকেই আপনি বুঝতে পারছেন না। সেই সত্য-সমুদ্রে নৌকার ন্যায় স্বর্গের সোপান।
কে জগতে সবার প্রিয় হয় : কাউকে কটু বাক্য না বলা এবং দুর্জনের সেবা না করা, এই দুটি কার্য করতে থেকে মানুষ এই জগতে সকলেরই প্রিয় হয়।
নিজ ক্ষতিসাধনকারী : যে লোক নির্ধন হয়েও ভোগসুখ কামনা করে এবং যে লোক শক্তিহীন হয়েও পরের উপরে ক্রুদ্ধ হয়, সেই দুই লোকই নিজের পক্ষে তীক্ষè কন্টকস্বরূপ হয় এবং আপনার শরীর শোষণ করতে থাকে।
বিনাশের কারণ : পরান্নহরণ, পরদারগমন এবং সুহৃৎপরিত্যাগÑ এই তিনটা দোষই নিজের বিনাশকজনক।
কাম, ক্রোধ ও লোভÑ এই ত্রিবিধ দোষ নরকের দ্বারস্বরূপ এবং নিজেরও ধ্বংসজনক; অতএব, এই তিনটা দোষ ত্যাগ করবেন।
কাদের ত্যাগ করা যাবে না : যে লোক পূর্বে সেবা করতো, যে লোক বর্তমানে সেবা করছে এবং যে লোক ‘আমি আপনার অধীন হলাম’ এ কথা বলছে, এই তিন জন শরণাগত ব্যক্তিকে নিজের বিপৎকালেও ত্যাগ করবে না।
রাজার বর্জনীয় : অল্পবুদ্ধি লোকদের সাথে মন্ত্রণা, দীর্ঘসূত্র লোকদের সাথে মন্ত্রণা, অলস লোকদের সাথে মন্ত্রণা এবং স্তাবক লোকদের সাথে মন্ত্রণাÑ এ চারটি কার্য মহাবল রাজা বর্জন করবেন। কারণ, প-িত লোকই সেগুলো (সেগুলোর কারণ) বুঝতে পারেন।
মাননীয় রাজা, আপনি সম্পৎশালী এবং গৃহস্থ; সুতরাং আপনার ঘরে চার শ্রেণির লোক বাস করুক। যথা-বৃদ্ধ জ্ঞাতি, নিরাশ্রয় কুলীন, দরিদ্র সখা এবং নিঃসন্তান ভগিনী।
যারা সর্বদা রাজার সাথে থাকে
আপনি যেখানে যেখানে গমন করবেন, সেখানে সেখানেই পঞ্চবিধ লোক আপনার অনুগমন করবে। যথাÑ মিত্র, অমিত্র (শত্রু), মধ্যস্থ, সেব্য ও সেবক।
উন্নতিকামীর পরিত্যজ্য : নিদ্রা, তন্দ্রা, ভয়, ক্রোধ, আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতাÑ এই ছয়টা দোষকে উন্নতিকামী লোক পরিত্যাগ করবে।
মানুষ সমুদ্রে বিদীর্ণ নৌকার ন্যায় এই ছয় জনকে পরিত্যাগ করবে। যথাÑ অবক্তা আচার্য, অবেদপাঠী পুরোহিত, অরক্ষক রাজা, অপ্রিয়বাদিনী ভার্যা, সম্পূর্ণগ্রামাভিলাষী গোপাল এবং বনগমনাভিলাষী নাপিত।
কখনো পরিত্যজ্য নয় : সত্য, দান, অনালস্য, অনসূয়া, ক্ষমা ও ধৈর্যÑ এই ছয়টি গুণকে মানুষ কখনো পরিত্যাগ করবে না। প্রত্যহ অর্থাগম, সর্বদা আরোগিতা, প্রিয়া ভার্যা, প্রিয়বাদিনী ভার্যা, বশীভূত পুত্র এবং অর্থকারী বিদ্যাÑ এই ছয়টি মানুষের সুখজনক।
ছয়টি দোষ : কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য্যÑ এই ছয়টি দোষ সর্বদাই মনে বিদ্যমান থাকে; কিন্তু যে লোক এই ছয়টি দোষকে জয় করতে পারে, সে লোক পাপে লিপ্ত হয় না; সুতরাং, সে বিপদাপন্ন কেন হবে?
অকৃতজ্ঞ : এই ছয় জন পূর্বোপকারীর প্রতি সর্বদা অবজ্ঞা করে থাকে। যথা: শিক্ষিত শিষ্য অধ্যাপকের প্রতি, কৃতদার পুত্র মাতার প্রতি, কৃতসম্ভোগ পুরুষ নারীর প্রতি, কৃতকার্য লোক কার্যসাধকের প্রতি, দুর্গম পথ অতিক্রমের পর নৌকার প্রতি এবং রোগী আরোগ্যলাভের পর চিকিৎসকের প্রতি অবজ্ঞা করে থাকে।
সুখ ও দুঃখ : রাগ না থাকা, ঋণ না থাকা, বিদেশে বাস না করা, সজ্জনের সহিত সংসর্গ করা, স্বাধীন বৃত্তি এবং নির্ভয়ে বাসÑ এই ছয়টি জীবের সুখ।
পরের প্রতি ঈর্ষাকারী ও ঘৃণাকারী, অসন্তুষ্টচিত্ত, ক্রোধশীল, সর্বদা আশঙ্কাকারী এবং পরভাগ্যোপজীবীÑ এই ছয় জন সর্বদা দুঃভোগ করে।
রাজা সর্বদা ত্যাগ করবেন : সুপ্রতিষ্ঠিত প্রভুরাও যেগুলো দ্বারা প্রায়ই বিনষ্ট হয়ে থাকেন, আসক্তিমূলক সেই সাত প্রকার দোষ রাজা সর্বদাই ত্যাগ করবেন। এগুলো হলোÑ স্ত্রী, দ্যূতক্রীড়া, মৃগয়া, পান, কটু কথা বলা, নিষ্ঠুরভাবে গুরুতর দ- করা এবং উৎকোচ প্রভৃতি গ্রহণ করা।
বিনাশকালে মানুষের বুদ্ধি : মানুষ বিনষ্ট হবার পূর্বে তার এই অষ্টবিধ সূচক উপস্থিত হয়। যথাÑ মানুষ প্রথমে ব্রাহ্মণের ধন হরণ ও ব্রাহ্মণকে হত্যা করবার ইচ্ছা করে, ব্রাহ্মণদের নিন্দায় আনন্দিত হয়, আদরের সহিত তাঁদের প্রশংসা শ্রবণ করে না। শ্রাদ্ধ প্রভৃতিকার্যে ব্রাহ্মণদিগকে স্মরণ করে না এবং কোনো ব্রাহ্মণ কিছু প্রার্থনা করলে, তাতে দোষারোপ করে। বুদ্ধিমান লোক বুদ্ধি দ্বারা বুঝে এই অষ্টবিধ দোষ পরিত্যাগ করবেন।
আদর্শ রাজা : যে রাজা কাম ও ক্রোধ পরিত্যাগ করেন, সৎপাত্রে ধন দান করেন, গুণাগুণ জানেন, শাস্ত্র অবগত থাকেন এবং সত্বর কার্যসাধন করতে পারেন, সে রাজাকেই সকল লোক বিশ্বাস করে।
যে রাজা মানুষের বিশ্বাস জন্মাতে পারেন, দোষ জেনে দ- বিধান করেন, নিগ্রহ ও অনুগ্রহের পরিমাণ জানেন এবং যথাসময়ে ক্ষমাও করেন, সেরূপ রাজাকেই সমগ্র রাজলক্ষ্মী আশ্রয় করেন।
যে রাজা কোনো অতিদুর্বল লোকের ওপরও অবজ্ঞা করেন না, ছিদ্রানুসন্ধানে প্রবৃত্ত থেকে জ্ঞানপূর্বক শত্রুর সেবা করেন, বলবান শত্রুর সহিত যুদ্ধ করার ইচ্ছা করেন না এবং যথাসময়ে বিক্রম প্রকাশ করেন, সেই রাজাই বুদ্ধিমান।
যে রাজা কখনো বিপদে পতিত হয়েও ব্যথিত হন না, বরং সাবধানে সেই বিপদের প্রতিকার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং সংযতচিত্ত হয়ে সেসময় দুঃখ সহ্য করেন, সেই রাজার প্রবল শত্রুরাও বিজিত হয়ে থাকে।
যে রাজা গৃহ হতে অনর্থক প্রবাস, দুর্জনের সহিত সংসর্গ, পরদারধর্ষণ, ছল, চৌর্য, খলতা ও মদ্যপান করেন না, সেই রাজা সর্বদাই সুখে থাকেন।
বুদ্ধিমান ব্যক্তি : বুদ্ধিমান লোক ছলপূর্বক ধর্ম, অর্থ ও কামের কার্য করেন না; কেউ আহ্বান করলে, তার নিকট সত্য কথাই বলেন; বন্ধুর জন্য কারো সাথে বিবাদ করবার ইচ্ছা করেন না এবং কেউ উপযুক্ত সম্মান না করলেও তার প্রতি ক্রুদ্ধ হন না।
কে সকলের প্রিয় : যিনি কারো প্রতি অসূয়া করেন না, কেবল দয়াই করেন; নিজে দুর্বল বলে কারো প্রতিভু (জামিন) হন না; কাউকেও অতিক্রম করে কোনো কথা বলেন না এবং সকলের সাথেই বিবাদে উপেক্ষা করেন; সেরূপ লোকই সর্বত্র প্রশংসা লাভ করেন।
যিনি কখনো উদ্ধতবেশ করেন না; আপনার পুরুষকার দেখিয়ে পরের নিন্দা করেন না এবং ক্রোধে উত্তেজিত হয়ে কাউকেও কটু কথা বলেন না; সেরূপ লোককেই সর্বদা সকলে ভালোবাসে।
সৎস্বভাবসম্পন্ন ব্যক্তি : যে শত্রুতা নিবৃত্তি পেয়েছে, সেই শত্রুতাকে যিনি পুনরুদ্দীপিত করেন না; গর্বিত কিংবা একেবারে নিস্তেজ হন না এবং আমি দরিদ্র বলে অসৎকার্য করেন না; সেই লোককেই সজ্জনেরা পরম সৎস্বভাব বলেন।
যিনি আপন সুখে অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন না; অন্যের দুঃখেও আনন্দিত হন না এবং দান করে পরে আবার অনুতাপ করেন না, সেই লোককেই সকলে সৎপুরুষ ও সৎস্বভাব বলে।
বুদ্ধিমান : যিনি দেশাচার, অবসর, জাতি ও ধর্ম জানেন, তিনিই উত্তম ও অধম বুঝতে পারেন এবং তিনি যেখানে গমন করুন না কেন, সর্বত্রই বহু লোকের ওপর আধিপত্য করতে পারেন।
যিনি ছল, মোহ, বিদ্বেষ, পাপকার্য, রাজবিদ্বিষ্ট কার্য, খলতা, বহুলোকের সাথে শত্রুতা এবং মত্ত, উন্মত্ত ও দুর্জনের সাথে বাদানুবাদ পরিত্যাগ করেন, তিনিই প্রধান বুদ্ধিমান।
দান, হোম, দেবতাপূজা, মাঙ্গলিককার্য, প্রায়শ্চিত্ত এবং বিবিধ সজ্জনোপাখ্যানকথনÑ এ সকল নিত্যকার্য যিনি করেন, দেবতারা তাঁর উন্নতি সাধন করেন।
যিনি সমানবংশের সাথে বিবাহসম্বন্ধ করেন, কিন্তু হীনবংশের সাথে করেন না; সমান লোকের সাথেই সখ্য; ব্যবহার ও আলাপ করে থাকেন এবং প্রধান গুণবানদিগের সম্মান করেন, সেই বুদ্ধিমান লোকই সকল কৌশল শিখেছেন বলে সকলে মনে করে।
যিনি আশ্রিত লোকদিগকে ভাগ করে দিয়ে নিজে পরিমিত আহার করেন, প্রচুর কার্য করে অল্প নিদ্রা যান এবং শত্রু এসে প্রার্থনা করলে তাকেও দান করেন, সেই বুদ্ধিমানকেই সকল অনর্থ ত্যাগ করে।
মন্ত্রণা গুপ্ত রেখে মন্ত্রিত বিষয়ের সম্যক অনুষ্ঠান করতে থাকায় যাঁর অভীষ্ট ও পরিত্যক্ত কোনো কার্যই অন্য লোকেরা জানতে পারে না, তাঁর অল্প কোনো বিষয়ও নষ্ট হয় না। যে লোক কোনো দুষ্কার্য করার সময় আপনা আপনিই অত্যন্ত লজ্জিত হন, তিনি সকল লোকের মধ্যে প্রধান হন এবং তিনি অত্যন্ত তেজীয়ান, প্রশস্তচিত্ত ও সৎকার্যপরায়ণ হয়ে তেজোদ্বারা সূর্যের ন্যায় প্রকাশ পেতে থাকেন। লেখক: সাধারণ সম্পাদক, ইসকন বাংলাদেশ।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]