কৃষি জমির মাটি খননে ব্যস্ত রংপুরের ইটভাটাগুলো

আমাদের নতুন সময় : 11/01/2019

মোস্তাফিজার রহমান : কৃষকরা আমন ধান ঘরে উঠানোর পরই ফাঁকা হয়ে পড়েছে রংপুরের কৃষি জমিগুলো। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে  ওই সব জমির উর্বর মাটিগুলো খনন করে নেয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এতে করে বোরো ধান আবাদের ফলন ভালো হওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন কৃষকরা। জানা যায়, চলতি মৌসুমে রংপুরের দুই শতাধীক ইটভাটায় ইট তৈরী চলছে পুরোদমে। এজন্য  ইট ভাটাগুলোতে বিপুল পরিমাণ মাটির প্রয়োজন। আর এ সব মাটি নেওয়া হচ্ছে কৃষি জমি থেকে। সেই সঙ্গে প্রায় এক লাখ শ্রমিক  ওইসব  ইটভাটায় ইট তৈরী, পোঁড়ানো ও কৃষি জমি থেকে মাটি খননে ব্যাস্ত সময় পার করছে।  এছাড়াও ইট পোঁড়ানোর জন্য আমদানী করা হচ্ছে প্রায়  দুই লাখ মে.টন কয়লা। আর এসব কয়লা চড়া মূল্যে আমদানী করা হচ্ছে  ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। জেলার বিভিন্ন ইটভাটায় গিয়ে ইট তৈরী, পোঁড়ানো ও কৃষি জমির মাটি খননের দৃশ্য চোখে পড়ে। কৃষি জমি থেকে মাটি খনন করে ইট ভাটায় নেওয়ার পথে কিছু কিছু মাটি চলাচলের সড়কে পড়ায় ধুলোবালিতে পথচারিদেরও  ভীষন ক্ষতি হচ্ছে। জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম আজিজুল হক এ প্রতিবেদক কে  বলেন, ভাটা স্থাপন ও ইট পোঁড়ানো নিবন্ধন আইন-১৩ অনুযায়ী ইটভাটা পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব। এরপরেও ইটের ব্যপক চাহিদা থাকায় মহামান্য আদালতের আদেশ অনুযায়ী কিছু সংখ্যক বৈধ লাইসেন্স আবার অনেকেই কোনও রকম কাগজ ছাড়াই ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন।

 

 

তিনি আরও বলেন, জেলায় দুই শতাধীক ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে সমিতির আওতায় রয়েছে ১২৫টি ইটভাটা। এর বাইরে রয়েছে আরও ৭৫টি। প্রতিটি ভাটায় উৎপাদিত হয় ৪০লাখ ইট। সম্পাদনা: বাহাউদ্দিন

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]