• প্রচ্ছদ » » পাকিস্তানপ্রীতি : বেশি দূরে নয়!


পাকিস্তানপ্রীতি : বেশি দূরে নয়!

আমাদের নতুন সময় : 11/01/2019

মাসুদ রানা

বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করলেন, তার সাথে নির্বাচনের কী কোনো সহযোগ নেই? এটি কী কাকতালীয় সহ-সংঘটন?
ওপরের ঘটনাটি কাকতালীয় হোক কিংবা পরিকল্পিতই হোক, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মহাজোটের প্রচারকরা কিন্তু অতি আদর ও আহ্লাদের সাথে ইমরান খানের বাংলাদেশ প্রশংসা তাদের নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করেছেন।
সার্বিক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির বিবেচনায় আমার মনে হয়, সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও পাকিস্তানের সাথে সখ্য প্রয়াসী হবেন। তিনিও পাকিস্তানে যাবেন এবং পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দন করবেন এবং সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ হবেন।
গত মেয়াদে ভারতের পক্ষে, পাকিস্তানবিরোধী অবস্থানের মৌলিক পরিবর্তন হবে। আর গত মেয়াদে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পাকিস্তান ঘৃণাচর্চা করেছেন, এই মেয়াদে তারা একই চেতনায় পাকিস্তানপ্রীতিও চর্চা করবেন।
তবে, বহু বছর আগে আমি যা বলেছিলাম সেটি এক্ষণে উল্লেখ করতে চাই। পাকিস্তানকে তার কৃতকর্মের জন্য বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির কাছে শুধু ক্ষমা চাইলে চলবে না, নিচের পাঁচটি বিষয় পাকিস্তানের স্কুলের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে : ১. বাংলা ভাষার অবদমন ও ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনাসহ পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্য ও নিপীড়ন। ২. ঊনসত্তর সালের সাধারণ নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানের মধ্যে শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের বিজয় কিন্তু তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি। ৩. একাত্তর সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যা ও অন্যান্য যুদ্ধাপরাধের বিবরণ। ৪. বাঙালিদের স্বাধীনতা ঘোষণা, মুক্তিবাহিনীর প্রতিরোধ যুদ্ধের সূচনা এবং বিজয়। ৫. পাকিস্তানের ক্ষমা প্রার্থনা। ০৯/০১/২০১৯। লন্ডন, ইংল্যান্ড।-ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]