• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » ভারতের কেন্দ্রীয় খাবার পানি ও পয়নিস্কাশন মন্ত্রী বললেন,ধর্মের কারণে নিপীড়িত হিন্দুদের ভারতে নাগরিকত্ব দেয়া হবে


ভারতের কেন্দ্রীয় খাবার পানি ও পয়নিস্কাশন মন্ত্রী বললেন,ধর্মের কারণে নিপীড়িত হিন্দুদের ভারতে নাগরিকত্ব দেয়া হবে

আমাদের নতুন সময় : 11/01/2019

বিশ্বজিৎ দত্ত : শুধুমাত্র  ভিন্ন ধর্ম হওয়ার কারণে যারা নিপীড়নের শিকার হয়ে ঘরবাড়ি ও নিজের পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হোক।  গতকাল ভারতীয় পার্লামেন্টে (লোকসভা) সিটিজেন্ট এমেন্ডমেন্ট বিল ২০১৯-এর ওপর আলোচনায় এমন বক্তব্য রাখেন ভারতের কেন্দ্রীয় খাবার পানি ও পয়নিস্কাশন মন্ত্রী এসএস আহলোলিয়া। তিনি পুরো বক্তব্যটি বাংলায় বলেন। তার বক্তব্যের প্রতিবাদের কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্যরা ওয়াক আউট করেন করেন।

আহলোলিয়া তার বক্তব্যে বলেন, ধর্মের উৎপীড়নের কারণে যারা ভারতে এসেছেন এটা শুধুমাত্র বিদেশ আসা নয়। তারা বাধ্য হয়ে নিজের জমি মাটি ছেড়ে আশ্রয়ের জন্য এসেছেন। ভারত স্বাধীনের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ একই দেশ ভারতই ছিলো। বাংলাদেশের মাস্টার দা, বিপিন চন্দ্র পাল, বাঘা যতিন ভারতের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করেছেন। যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় ভারত স্বাধীনের পর কিছু রাজনীতিক, শুধুমাত্র রাজনীতি করার জন্য ধর্মের জন্য ভারতকে ভাগ করে দিল। এখানে জনগণের কোন ভূমিকা ছিলো না। পাকিস্তান এমন একটি রাষ্ট্র চাইলো যাতে শুধুমাত্র মুসলমানরাই যাতে থাকে। সেই সময় পূর্ববঙ্গের দলীত হিন্দুরা পাকিস্তান ছেড়ে চলে আসতে চাইলো। কিন্তু তাদের বলা হলো, পাকিস্তান সেকুলার রাষ্ট্র হবে। কিন্তু আমরা কি দেখলাম। পাকিস্তানে হিন্দুদের ওপর পরে বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর ধর্মের কারণে নির্যাতন শুরু হলো। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতের বই ডিপ্রাইভেশান অব হিন্দু মাইনরিটির উদাহরণ দিয়ে বলেন, পাকিস্তানে এখন হিন্দু ৩ শতাংশ আর বাংলাদেশে সাড়ে ৮ শতাংশ। এই দেশগুলোতে সরকার সংবিধানের চেয়ে ধর্মের উপর নির্ভর করে কাজ করে। তাই এই বিল সম্পর্কে বলতে চাই যারা ধর্মীয় কারণে ভারতে এসেছে তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

২০১৬ সালে নাগরিকত্ব বিলটি সংসদে আনা হয়। বিলটি কিছু সংশোধন করে পার্লামেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগে নাগরিকত্বের জন্য ১১ বছর অপেক্ষা করতে হতো। এখন ৬ বছরেই বাংলাদেশ, পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। এর আগে তারা ভারতে সকল আর্থিক ও নাগরিক সুবিধা পাবেন।  সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]