স্মৃতিপটে আঁকা-দশ জানুয়ারি!

আমাদের নতুন সময় : 11/01/2019

সামসুদ্দোহা

জানুয়ারি স্মৃতিপটে আঁকা ছবি-১৬ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি। প্রতিক্ষণ, প্রতিদিন- হাতেগোনা ২৫ দিন, মহানায়কের আগমন প্রত্যাশা…। মেঘে ঢাকা সূর্যের হাসি ছিলো অন্ধকার মলিন, গাছে গাছে পাখীর কলরবে করুণ সুর-মুক্তিযোদ্ধা করেনি অস্ত্র সমর্পণ, নয় মাসের দক্ষ কা-ারি শহীদ তাজউদ্দীন-নজরুলের মুখে কেউ দেখেনি হাসি—এ ক’দিন, প্রকৃতির রূপ ছিলো গুমোট—গম্ভীর! নানা গুঞ্জরণ – দিল্লি, মস্কো, হাভানা, লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস, থিম্পু, অটোয়ার চাপ,ভারত মহাসাগরের গর্জন ¯্রােত আটলান্টিকে মিশে প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে আমাজন মিশিসিপি ভূমধ্যসাগরসহ সমস্ত নদ-নদীর করুণ আর্তনাদ! পদ্মা-মেঘনা-তিস্তা-যমুনার ¯্রােতধারা মিশে বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গমালা হাসে-বিজয়া বেশে!
ওয়াশিংটন-নিউইয়র্কের রাজপথ প্রকম্পিত স্লোগান—মিছিল, হাইড পার্কের সুরধ্বনি ভাসে-বাতাস প্রবাহে…
ঘরে ঘরে নামাজ-রোজা মা-বোনেরা করে প্রার্থনা—জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুস্বাস্থ্য কামনা!
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ শীতের সকাল কুয়াশা বিলীন, সূর্যের হাসির কিরণ, প্রকৃতির আনন্দিত রূপ! পিতার আগমন বার্তা হিথ্রো থেকে পালাম হয়ে—তেজগাঁ বিমানবন্দর! ঢাকা হাসে আর কাঁদে আনন্দাশ্রু ফেলে, জন¯্রােত তেজগাঁ বিমানবন্দরে চলে—-ক্ষণিকের স্তব্ধতা— দৃষ্টি বিমান দরজা, কখন খোলে! চিরায়ত কালো কোট পরিহিত; সৌম্য-শান্ত,অশ্রুসিক্ত উচ্চশিরে পিতা— দু’খানি বাহু উঁচিয়ে-জাতিকে জানায়—অভিবাদন: অভিনন্দন!
অশ্রুভারাক্রান্ত তাজউদ্দীনের উষ্ণ আলিঙ্গন- ইতিহাসে অম্লান। দেশব্যাপী লাখো-কোটি বাঙালির বিজয়ী উল্লাস! জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসাথে করে এনেছিলেন মৃত্যুহীন প্রাণ,…‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’…। আকাক্সিক্ষত মনে—-মরণে তাহাই তিনি করে গেছেন দান!
লেখক : রাজনীতিবিদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]