কর্তলা বেলখাইন সদ্ধর্মালঙ্কার বিহার

আমাদের নতুন সময় : 23/01/2019

ডেক্স রিপোর্ট : চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণাংশে পটিয়া থানাধীন ৯নং বরোলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে এ বিহারটি অবস্থিত। এতদঞ্চলের প্রবীণদের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় আনুমানিক শতাধিক বৎসর পূর্বে স্থানীয়দের ধর্মীয় কার্যাদি সুস্মপন্ন করার জন্যে নিজেদের উদ্যোগে ৬০ শতক ভিটার উপর মাটির দেওয়াল ও টিনের ছাউনি দিয়ে এ বিহারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তী সময়ে ঐ বিহারটি প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে ধ্বংস হয়ে গেলে একই স্থানে পূর্বমুখী করে বাঁশের বেড়া দিয়ে পুনরায় বিহারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯২১ সালে পশ্চিমমুখী করে মূল মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাতে অপুত্রক শাইর কুমারী চৌধুরীর অর্থানুক‚ল্যে বার্মা হতে আনিত ৪-৮ ইঞ্চি উচ্চ সম্পন্ন ভুমিস্পর্শ মুদ্রার ব্রোঞ্জ মুর্তিটি ৩ ফুট উচু এবং ৮ী৪ ফুট আয়তাকার বেদীর উপর স্থাপন করা হয়। পরবর্তীকালে যথাক্রমে ৩৯, ৩৭, ৩২, ও ২৯ ইঞ্চি সম্পন্ন ৪টি ভুমিস্পর্শ মুদ্রার শ্বেত পাথরের বুদ্ধমুর্তি একই বেদীতে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯২৩ সালে বুদ্ধগয়া হতে আনিত বোধিচারা এখানে রোপন করা হয়েছে। বোধিবৃক্ষটি এখনো বর্তমান আছে।
গ্রামবাসীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ শতকের সত্তর দশকের শেষপাদে ৫৮ী২০ আয়তাকৃতির একটি নতুন বিহার দক্ষিণামুখি করে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর ঠিক মাঝখানে সমতল হতে ৭৬ ফুট উঁচু সুদৃশ্য চূড়াযুক্ত মন্দিরে ১৯৭৯ সালে থাইল্যান্ডের প্রখ্যাত বৌদ্ধ ভিক্ষু ধর্মাধিরাজ মহামুনি কর্তৃক প্রদত্ত ৯ ফুট উঁচু অষ্টধাতুমিশ্রিত ভূমিস্পর্শ মুদ্রার বুদ্ধমূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে।
বিহার অঙ্গনাভ্যন্তরে ১২ ফুট উঁচুমন্দিরে বুদ্ধের পবিত্র অস্থিধাতু আছে বলে মন্দিরগাত্রে শ্বেতপাথরের একটি ফলকে উল্লেখ করা হয়েছে।পবিত্র ধাতু মন্দিরটি ১০ী১০ বর্গাকৃতির স্থান জুড়ে বর্তমান। এ বিহারে ৮৭৫ খানা দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের একটি সাধারণ পাঠাগার আছে। এ পাঠাগারে ধর্মীয়, সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ আছে। এ বিহারে অবস্থানকারী প্রখ্যাত ভিক্ষুদের মধ্যে জগ মহাস্থবির, বংশদ্বীপ মহাস্থবির প্রমুখ অন্যতম। বিহারের বর্তমান অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]