বান্দরবানে বমদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

আমাদের নতুন সময় : 27/01/2019

খ্রিস্টীয় দর্পণ ডেস্ক

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বম স¤প্রদায়ের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে ১৯-২১ জানুয়ারী। বর্নাঢ্য উৎসব পালনে পাঁচ হাজারের বেশি পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি বম স¤প্রদায়ের মানুষ জড়ো হয়েছিলেন রামু সরকারী স্কুল প্রাঙ্গণে।
বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির নেতা জর্জ ননচে বলেন, ‘খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পূর্বে আমরা বমরা ছিলাম প্রকৃতি পূজারী । ১৯১৮ সালে আমেরিকার ওয়েলস খ্রিস্টান মিশনারী এডুইন রওল্যান্ডস বান্দরবানে প্রথম খ্রিস্টধর্ম প্রচার করলে বমরা যীশুকে গ্রহণ করে।’
তিনি জানান, তাই খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষ পূর্তী পালন করছেন তারা। স¤প্রদায়টি। তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারত আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া ও কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথিরা যোগ দিয়েছেন। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বম স¤প্রদায়ের নারী-পুরুষও উৎসবে অংশ নিয়েছেন। শুধু বম স¤প্রদায়ই নয়, অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির লোকজনও উৎসবে যোগ দিয়েছেন। বমরা নেচে-গেয়ে আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালন করছে এ উৎসব। বম স¤প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করছে। উৎসবে বম স¤প্রদায়ের হারিয়ে যাওয়া শিং নৃত্য বাঁশ নৃত্যসহ একশ শিল্পীর অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গান পরিবেশন করা হয়।
১৮ জানুয়ারী, রুমা হাই স্কুল মাঠে বম রাম গসপেল সেন্টেনারী শীর্ষক উৎসবের উদ্ধোধন করেন বম স¤প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা রেভারেন্ড কামখুপ বম। ১৯ জানুয়ারী, সকালে প্রার্থনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান। রবিবার সমবেত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান। জর্জ ননচে জানান, দেশে এখন ১৫ হাজার বম স¤প্রদায়ের মানুষ আছে। তারা সকলেই খ্রিস্টান। ১৫০ জন পালক রয়েছেন যারা পালকীয় কাজে নিয়োজিত। তারা নিজেদের গন্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন পার্বত্য জেলার ত্রিপুরা, মারমা, তৎচঙ্গা প্রভৃতি জাতি গোষ্ঠার মানুষের নিকটে যীশুর কথা তুলে ধরছেন এবং অনেকে যীশুকে গ্রহণ করছেন।
বমরা মনে করেন, তারা যীশুকে গ্রহণ করার ফলে তারা শিক্ষা, দীক্ষায় এবং জীবন যাত্রার মানের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে গেছেন। সূত্র : বিডি খ্রিস্টান নিউজ

বান্দরবানে বমদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

খ্রিস্টীয় দর্পণ ডেস্ক

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বম স¤প্রদায়ের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে ১৯-২১ জানুয়ারী। বর্নাঢ্য উৎসব পালনে পাঁচ হাজারের বেশি পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি বম স¤প্রদায়ের মানুষ জড়ো হয়েছিলেন রামু সরকারী স্কুল প্রাঙ্গণে।
বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির নেতা জর্জ ননচে বলেন, ‘খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পূর্বে আমরা বমরা ছিলাম প্রকৃতি পূজারী । ১৯১৮ সালে আমেরিকার ওয়েলস খ্রিস্টান মিশনারী এডুইন রওল্যান্ডস বান্দরবানে প্রথম খ্রিস্টধর্ম প্রচার করলে বমরা যীশুকে গ্রহণ করে।’
তিনি জানান, তাই খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষ পূর্তী পালন করছেন তারা। স¤প্রদায়টি। তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারত আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া ও কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথিরা যোগ দিয়েছেন। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বম স¤প্রদায়ের নারী-পুরুষও উৎসবে অংশ নিয়েছেন। শুধু বম স¤প্রদায়ই নয়, অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির লোকজনও উৎসবে যোগ দিয়েছেন। বমরা নেচে-গেয়ে আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালন করছে এ উৎসব। বম স¤প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করছে। উৎসবে বম স¤প্রদায়ের হারিয়ে যাওয়া শিং নৃত্য বাঁশ নৃত্যসহ একশ শিল্পীর অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গান পরিবেশন করা হয়।
১৮ জানুয়ারী, রুমা হাই স্কুল মাঠে বম রাম গসপেল সেন্টেনারী শীর্ষক উৎসবের উদ্ধোধন করেন বম স¤প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা রেভারেন্ড কামখুপ বম। ১৯ জানুয়ারী, সকালে প্রার্থনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান। রবিবার সমবেত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান। জর্জ ননচে জানান, দেশে এখন ১৫ হাজার বম স¤প্রদায়ের মানুষ আছে। তারা সকলেই খ্রিস্টান। ১৫০ জন পালক রয়েছেন যারা পালকীয় কাজে নিয়োজিত। তারা নিজেদের গন্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন পার্বত্য জেলার ত্রিপুরা, মারমা, তৎচঙ্গা প্রভৃতি জাতি গোষ্ঠার মানুষের নিকটে যীশুর কথা তুলে ধরছেন এবং অনেকে যীশুকে গ্রহণ করছেন।
বমরা মনে করেন, তারা যীশুকে গ্রহণ করার ফলে তারা শিক্ষা, দীক্ষায় এবং জীবন যাত্রার মানের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে গেছেন। সূত্র : বিডি খ্রিস্টান নিউজ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]