আত্মহত্যা প্রশমনে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও যৌন শিক্ষার ওপরে জোর দিতে হবে বলে মনে করেন ড. জিয়া রহমান

আমাদের নতুন সময় : 10/02/2019

জুয়েল খান : অপরাধ বিজ্ঞানী ড. জিয়া রহমান বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হবে যাতে হতাশ থাকার সুযোগ না পায়।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে এক ধরনের বিকৃত মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। যার ফলে সমাজে ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে, পরিণতিতে আত্মহত্যা। এছাড়া অর্থনীতির কারণে অনেকেই আধুনিক যুগে খরচের সাথে প্রতিযোগিতায় তাল মিলিয়ে উঠতে না পারা এবং চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে বাস্তবে সেই পরিমাণ অর্থ না পাওয়ার ফলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

তিনি বলেন,  হঠাৎ করে যখন কোনো সামাজিক পরিবর্তন আসে সেই পরিবর্তন আধুনিকতার দিকে যেতে থাকে তখন পুরনো সমাজের লোকদের সাথে নতুন সাজের লোকদের মূল্যবোধের একটা টানাপড়েন এবং সংঘর্ষ হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইন্টারনেট, ফেসবুক এবং মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা একটা নতুন সংস্কৃতিতে পৌঁছেছি। যা আমাদের পুরনো মূল্যবোধের মধ্যে অনেক কিছুই নেই, এখানে নতুন সমাজে নতুন অনেক কিছু এসেছে। বিশেষ করে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নতুন সমাজে বেড়েছে যা পুরনো সমাজে ছিলো না। পুরনো সমাজে একটা ছেলে একটা মেয়ে দীর্ঘদিন প্রেম করতো, দেবদাসের মতো। এখন দেখা যাচ্ছে একজন একইসাথে একাধিক সম্পর্ক করছে এবং এই সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে হালকা হয়ে যাচ্ছে, একটা বিষণœতা তৈরি হচ্ছে আর এর থেকে আত্মহত্যার দিকে ঝুঁকছে।

তিনি আরো বলেন, আত্মহত্যা প্রশমনে অবশ্যই কাউন্সেলিং সেন্টারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজ এবং পারিবারিকভাবে অবশ্যই নৈতিক শিক্ষা বাড়াতে হবে, সন্তানের সাথে বন্ধুর মতো মিশতে হবে। এছাড়া স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তুলতে হবে যাতে এরা আত্মহত্যা প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]