প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা নিয়ে রাজার বিধিনিষেধ মানবেন না থাই রাজকন্যা

আমাদের নতুন সময় : 10/02/2019

ইমরুল শাহেদ : রাজকন্যা উবোরাতানা আগামী নির্বাচনে থাই রক্ষা চার্ট পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পরই থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। থাই রাজার ইস্যু করা এক আদেশে বলা হয়েছে, রাজপরিবারের কেউ রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট হতে পারেন না। ওয়াশিংটন পোস্ট

বোনের প্রধানমন্ত্রিত্বের লড়াইয়ে নামার ঘোষণাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক আখ্যা দিয়ে এক আদেশে রাজা বলেছেন, এই পদক্ষেপ জাতীয় সংস্কৃতিকে তুচ্ছ করার শামিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও বিবিসির প্রতিবেদনে আশঙ্কা জানানো হয়েছে, রাজার বিরোধিতার পর নির্বাচন কমিশন রাজকন্যা উবোরাতানাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অযোগ্য ঘোষণা করতে পারে। আদেশটি শুক্রবার রাতে জাতীয় টেলিভিশনে প্রচার হয়েছে এবং বলা হয়েছে তার বোনের প্রার্থিতা অবৈধ এবং সংবিধানের লংঘন।

পক্ষান্তরে রাজকন্যা উবোরাতানা নিজের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার সিদ্ধান্তকে যথার্থই মনে করছেন। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, সবধরনের রাজমর্যাদা ত্যাগ করে তিনি এখন সাধারণ নাগরিকের মতো জীবন যাপন করেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হয়ে নিজের অধিকারের চর্চা করতে চান তিনি।

১৯৫১ সালে জন্ম নেওয়া উবোরাতানা রাজকন্যা সিরিভাধানা বার্ণাভাদি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে ¯œাতক কেেছন। ১৯৭২ সালে তিনি এক মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করেন। বিদেশিকে বিয়ে করে রাজমর্যাদা ত্যাগ করেন তিনি। তবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০০১ সালে থাইল্যান্ডে ফিরে তিনি রাজকীয় জীবন যাপনে অংশ নিতে শুরু করেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী পদে তিনি নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করলে থাই রাজপ্রাসাদের বিবৃতিতে রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ণ বলেন, লিখিতভাবে পদমর্যাদা ত্যাগ করলেও তিনি এখনও রাজমর্যাদা ভোগ করেন এবং রাজপরিচয় বহন করেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]