• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » টেলিভিশন সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি মোকাবেলা করবে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, বাড়বে অর্থনৈতিক সক্ষমতা


টেলিভিশন সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি মোকাবেলা করবে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, বাড়বে অর্থনৈতিক সক্ষমতা

আমাদের নতুন সময় : 11/02/2019

স্বপ্না চক্রবর্তী : সম্প্রচার মাধ্যমের কর্মীদের পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানোসহ কর্মপরিবেশ ও কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি মোকাবেলার উদ্দেশ্য নিয়েই ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) বা সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এর সাথে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা। তাদের দাবি এই সংগঠন থেকেই সম্প্রচার সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতাও বাড়বে। কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ বলেন, চার ধরণের কর্মসূচিকে সামনে রেখে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিকদের কল্যাণ বিশেষ করে অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার মত সংকটে পাশে দাঁড়ানো, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞান বাড়ানো, অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি এবং গবেষণা ও নীতি সহায়তার লক্ষ্যে গঠিত এই কেন্দ্রটি প্রাথমিকভাবে ১২শ সাংবাদিককে নিয়ে গঠিত হলেও ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে। তিনি বলেন, এটি কোনো এসোসিয়েশন বা সংগঠন নয়। তাই এখানে কোনো ধরণের রাজনৈতিক ইস্যু কাজ করবে না বলে আমরা মনে করি। আমাদের কাজের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে, আমাদের তৈরি কনটেন্ট থেকে ন্যূনতম লাভও যেনো আমরা আদায় করতে পারি। ইতিমধ্যে ক্যাবল অপারেটর ডিস্ট্রিবিউশনকারীদের সাথে আলোচনা করার জন্য একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই তা করা সম্ভব হবে। আমাদের পরবর্তী কাজ হচ্ছে সম্প্রচার মাধ্যমকে ডিজিটাইলাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা। এই কাজটির জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে আমরা আলোচনায় বসবো। এছাড়া বাংলাদেশ তৈরি বিজ্ঞাপন বিদেশি টেলিভিশনে যেনো কোনোভাবেই প্রচার হতে না পারে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। একই কথা বলেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক। তিনি বলেন, বিজেসি হবে সম্প্রচার মাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের কেন্দ্র। এটি যেমন টেলিভিশন সাংবাদিকদের বিপদে-আপদে পাশে থাকবে তেমনি দেশী টিভি চ্যানেলগুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরিতে সব ধরণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তবে বিজেসি নিয়ে ইতোমধ্যে এর সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন আশা। এর সাধারণ সদস্য গাজী টিভির চিফ রিপোর্টার রাজু আহমেদ বলেন, সম্প্রচার সম্মেলনের উন্মুক আলোচনার মধ্যে আমার মনে হয়েছে এখানকার বেশিরভাগ সদস্য চাকরি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা চায়। এছাড়া প্রতি বছর ইনক্রিমেন্টের জন্যও বিজেসির ইতিবাচক ভূমিকা দেখতে চায় সবাই। বিনা কারণে কোনো সম্প্রচার কর্মীর যেনো চাকরি না যায় সে ব্যাপারে সংগঠনের জোরালো ভূমিকা দরকার। শুধু তাই নয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য দ্রুত আলাদা ওয়েজ বোর্ড, সম্মানজনক বেতন কাঠামো, অফিস পলিটিক্স কমিয়ে কর্মক্ষেত্রে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিজেসির ভূমিকা থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি।

প্রসঙ্গত গত ৮ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে সম্পচার সম্মেলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয় এই কেন্দ্রের। এর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিম, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, সারাবাংলা ডটনেট, দৈনিক সারাবাংলা ও জিটিভির এডিটর ইন চিফ সেয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের প্রায় ১২শ সাংবাদিক।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]