বই : মেলা

আমাদের নতুন সময় : 11/02/2019

আহমদ মোস্তফা কামাল

ছুটির দিন ছাড়া মেলায় যাওয়া হয় না। আজকে ছুটি ছিলো, তবু যাওয়া হলো না। পর পর দু’দিন যাওয়ার পর তৃতীয় দিন আর যাওয়ার মতো উদ্যম থাকে না। ৯ ফেব্রæয়ারি শুক্রবার ছিলো বলেই হয়তো উপচেপড়া ভিড় ছিলো। এতো বেশি ভিড়ে অস্বস্তি লাগে, তাই ততোটা বই দেখা হয়নি, একটু ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে আড্ডা দিয়েই সময় পার করেছি।
অবশ্য বিকেল পাঁচটার নির্ধারিত ‘লেখক বলছি’ আয়োজনেও ছিলাম। এই আয়োজনটি নতুন এবং সুন্দর। খোলা মাঠে, খুব সিম্পল অথচ দৃষ্টিনন্দন একটা মঞ্চ। সেখানে একজন লেখককে উপস্থাপন করেন একজন উপস্থাপক। কাল যেমন আমাকে উপস্থাপন করলেন তরুণ কথাশিল্পী স্বকৃত নোমান। উপস্থাপকের সঙ্গে কথোপকথন শেষে পাঠকদেরও সুযোগ দেয়া হয় লেখককে প্রশ্ন করার। বেশ সুন্দর আয়োজন।
তবে ওখানে গিয়ে দু’একটা কথা মনে হলো। যেমন : কথোপকথনের সময় আরেকটু বাড়ানো দরকার। আলাপ জমে উঠতে না উঠতেই আধাঘণ্টা পার হয়ে যায়। আরেকটি বিষয় : মঞ্চের নাম ‘লেখক বলছি’ না হয়ে ‘লেখক বলছেন’ হলে ভালো হতো। প্রথমটি শুনে মনে হয়, লেখক নিজেই গিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে/বসে বলতে শুরু করেছেন, আর দ্বিতীয়টি শুনে মনে হয়- লেখককে উপস্থাপন করছেন অন্য কেউ। প্রথমটির মধ্যে উচ্চকিত একটা ব্যাপার আছে, দ্বিতীয়টিতে আছে বিনয়। আসলে তো ঘটছে দ্বিতীয়টিই। লেখক তো নিজ উদ্যোগে যাচ্ছেন না, তাকে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। মঞ্চের নামের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ আরেকবার ভেবে দেখতে পারেন। এই আয়োজনটি অব্যাহত থাকলে ভালো লাগবে। প্রথমবারের কিছু সীমাবদ্ধতা নিশ্চয়ই কাটিয়ে ওঠা যাবে আগামীতে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]