শহীদের বিশেষ ছয়টি বৈশিষ্ট্য

আমাদের নতুন সময় : 08/03/2019

নূর নাহার আলো

হযরত মিকদাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, ‘আল্লাহর কাছে শহীদের জন্য বিশেষ ছয়টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।’ (তিরমিজি : ১৫৮৬) শহীদ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থাৎ রক্তের প্রথম ফোঁটা প্রবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার যাবতীয় গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। জান্নাতে তার অবস্থান স্বচক্ষে তাকে দেখানো হয়।
কবরের আজাব থেকে তাকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ রাখা হয়। ‘ফাজাউল আকবার’ তথা মহাভীতি তাদের পেরেশান করবে না। তারা তখনও নিরাপদে থাকবে। [মোল্লা আলী কারি (রহ.) ‘ফাজাউল আকবার’-এর ব্যাখ্যায় ছয়টি মতামত বর্ণনা করেছেন। এক. দোজখের আজাব।
দুই. মৃত ব্যক্তির সামনে দোজখ পেশ করার ভয়াবহতা।
তিন. যখন দোজখিদের দোজখে প্রবেশের আদেশ দেওয়া হবে।
চার. মৃত্যুকে যখন জবাই করে দেওয়া হবে, তখন।
পাঁচ. কাফেরদের ওপর যখন দোজখের আগুন চাপিয়ে দেওয়া হবে।
ছয়. দ্বিতীয়বার যখন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে। কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর যেদিন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে, সেদিন আসমানগুলো ও জমিনে যারা আছে, সবাই ভীত হবে; তবে আল্লাহ যাদের চাইবেন, তারা ছাড়া। আর সবাই তাঁর কাছে হীন অবস্থায় উপস্থিত হবে।’ (সূরা নামল: ৮৭)
শহীদকে সম্মান ও মর্যাদার ইয়াকুত পাথরের তাজ পরানো হবে, যা দুনিয়ার যাবতীয় বস্তু থেকে অতি উত্তম হবে। বড় বড় ডাগর চক্ষুবিশিষ্ট বাহাত্তরজন হুরের সঙ্গে তার বিয়ে পড়ানো হবে। শহীদ তার সত্তরজন আত্মীয়স্বজনের ব্যাপারে আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করতে পারবে এবং তা কবুলও করা হবে। (তিরমিজি : ১৫৮৬)




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]