চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় নির্বিচারে জাটকা নিধন

আমাদের নতুন সময় : 15/03/2019

মিজান লিটন : চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় মাছের অভয়াশ্রম চলাকালীন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা নিধন অব্যাহত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার এই দু’মাস সরকারি সহায়তা পাওয়ার পরও অসাধু জেলেরা জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকেনি। কোনোভাবেই তাদের দমানো যাচ্ছে না। প্রতিদিনই অভিযানে আটক হচ্ছে জেলে, জাল এবং জাটকা। গত ১ মার্চ  থেকে শুরু হয় চাঁদপুর নদী এলাকায় জেলেদের মাছ না ধরার দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার সময়।

কিন্তু সরজমিনে দেখা গেছে, চাঁদপুরের ইলিশ অধ্যুষিত পদ্মা-মেঘনার বিভিন্নস্থান দিয়ে বিপুল পরিমাণে জাটকা ধরছে জেলেরা। জেল-জরিমানার তোয়াক্কা না করে তারা জাটকা শিকার করছে। আর চিহ্নিত অসাধু জাটকা ব্যবসায়ীরা কৌশলে বিভিন্ন বাজারে ও গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঢুকে এসব জাটকা বিক্রি করছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, হাইমচর থেকে চাঁদপুর সদরের আখনের হাট, নন্দীগো দোকান ও ইব্রাহীমপুর চর এলাকায় মেঘনা নদীর অংশ জাটকা বিচরণের ক্ষেত্র। এসব স্থান দিয়ে সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একশ্রেণির জেলে নামধারী দুর্বৃত্ত আধা ঘন্টা একঘন্টা সময় নিয়ে জাল ফলে জাটকা ধরছে। অতঃপর তারা নিজেদের এলাকার নিরাপদ জায়গায় চলে যাচ্ছে।

মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ ও চাঁদপুর সদর উপজেলা এবং শরীয়তপুর জেলার চরাঞ্চলের জেলেরা সবচেয়ে বেশি জাটকা ধরছে। ভোর বেলায় বিক্রি করার জন্যে এসব স্থানে রাতের বেলা থেকে পাত্র নিয়ে নদীর পাড়ে ওঁৎ পেতে থাকে জাটকার হকাররা। অনেকে সিএনজি স্কুটার ও অটোবাইকযোগে জাটকা পাচার করছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, জাটকা নিধন প্রতিরাধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। জাল, মাছ ও  নৌকা জব্দ করা হচ্ছে। গত ১১ দিনে ২৫ জন জেলেকে আটকের পর বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড  দেয়া হয়েছে। কিন্তু জেলেদের কোনোভাবেই পুরোপুরি নদীতে নামা থেকে বিরত রাখা যাচ্ছে না। সম্পাদনা : আজাদুল ইসলাম




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]