• প্রচ্ছদ » » ঢাকা শহরটা একটা পাহাড়ের পাদদেশে হলে অনেক ভালো হতো


ঢাকা শহরটা একটা পাহাড়ের পাদদেশে হলে অনেক ভালো হতো

আমাদের নতুন সময় : 15/03/2019

আরিফ জেবতিক

ঢাকা শহরটা একটা পাহাড়ের পাদদেশে হলে অনেক ভালো হতো। মন খারাপ হলে পাহাড়ে গিয়ে বসে থাকতাম। আমাদের সিলেট শহরের আশপাশে ছোটখাটো পাহাড় ছিলো একসময় অনেক। আমরা মন খারাপ হলে, কী ভালো থাকলে মিছামিছি পাহাড়ের ওপর গিয়ে বসে থাকতাম। লাক্কাতুরা চা বাগানের গলফ মাঠের পাশে একটা ছোট পাহাড় ছিলো। সেই পাহাড়ের ওপর ছোট একটা বাঁধাই করা কবর, কোনো এক ইংরেজ সাহেবের বউয়ের নাকি মেয়ের কবর ছিলো জানি সেটা। অনেকদূর পর্যন্ত গলফের সবুজ অবারিত মাঠ, নীরব নিস্তব্ধ। আমরা জোছনা রাতে সেই পাহাড়ের ওপর উঠে কয়েকজন বসে থাকতাম। এখন সেই পাহাড়টা আর নেই। সব কেটেকুটে ওখানে একটা স্টেডিয়াম বানিয়ে ফেলেছেন সাইফুর রহমান। ইস, ঢাকা শহর আসলেই একটা পাহাড়ের পাশে থাকার দরকার ছিলো। আমি সেই পাহাড়ে গিয়ে বসে থাকতাম…।
নির্বাচিত মন্তব্য : মাহবুব মিঠু রশীদ : ভাইজান, আমি তো ঢাকা শহরের পাশে সমুদ্র থাকলে খুশি হতাম। রাতে বিচে গিয়ে বসে থাকা যেতো আপনার মন খারাপ হলে। আরিফ জেবতিক : বিচ হলো একটা বাজারি জায়গা। কোটি কোটি লোক তাদের মোটা মোটা ভুঁড়ি নিয়ে সেখানে দাপাদাপি করেন। চাওয়ালা, ডাবওয়ালা হুজ্জোত করে। পাহাড় হচ্ছে একটা এলিগেন্ট বিষয়। গম্ভীর, চুপচাপ।
মাহবুব মিঠু রশীদ : মোটা মানুষদের পাহাড়ে উঠা কষ্টকর । আমি তো স্বপ্নে শুধু রাতের বিচের কথা কইছি। রাতে চাওয়ালা, ডাবওয়ালাদের ভিড় নেই। মোটা মানুষরাও ভয়ে বিচে দাপাদাপি করবো না। তবে পাহাড় গম্ভীর, চুপচাপÑতাও ঠিক, কিন্তু বিরহের মানুষদের আরো মন খারাপ হয়ে যাবে নিশ্চিত । সে হিসাবে বিশাল সমুদ্রের গর্জন …। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]