মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনে খাসোগজি হত্যাকাণ্ড বিষয়ে নাম নেই সৌদি যুবরাজের

আমাদের নতুন সময় : 15/03/2019

সান্দ্রা নন্দিনী : ২০১৮ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর প্রস্তুতকৃত মার্কিন প্রতিবেদনে খাসোগজি হত্যাকা- বিষয়ক অংশে বাদ পড়েছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নাম। গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগজি নিহত হন। যে বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, পূর্বপরিকল্পিত ওই হত্যার পেছনে সৌদি যুবরাজের সরাসরি নির্দেশনা ছিলো। সিএনএন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই বার্ষিক প্রতিবেদনটি সাধারণভাবে দেশটির কংগ্রেসকর্তৃক নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট বিদেশনীতির আওতায় পরিচালিত হয়। যেখানে বিশ^ব্যাপী ঘটমান সংঘাত, নিপীড়ন ও বর্বরতা বিষয়ক ঘটনাসমূহের বিশ্লেষণ থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব অল্প সময় ব্যয় করে প্রতিবেদনের সূত্র ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী দেশগুলোর বিষয়ে কিছু বক্তব্য রাখেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারাও প্রতিবেদনের খুব সীমিত কিছু বিষয়ে আলোকপাত করে থাকেন। আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে পূর্বের মার্কিন প্রশাসনে এই মানবাধিকার প্রতিবেদনে উল্লেখিত দেশগুলোর মানবাধিকার ‘প্রবলেম’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতো। আর বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে ‘ইস্যু’ হিসেবে মূল্যায়ন করে থাকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে খাসোগজি হত্যাকা-ের বিষয়ে খুবই ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হয়েছে। সেখানে সৌদি প্রসিকিউটর কার্যালয় থেকে এই মামলায় সন্দেহভাজন কারও নাম কিংবা বর্তমানে বিষয়টি ঠিক কী পর্যায়ে রয়েছে অথবা তদন্তের গতিশীলতা সম্পর্কিত স্পষ্ট কোনও ধারণাই দেওয়া হয়নি।
বার্র্ষিক ওই প্রতিবেদনটিতে ২০১৮ সালে সৌদি আরবে গ্রেফতার নারী মানবাধিকারকর্মীদের ওপর চলমান নিপীড়ন নিয়েও কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। তাই, এবছরের মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনটি স্পষ্টতই প্রচলিত মার্কিন কূটনীতি মেনে তৈরি করা হয়নি বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]