• প্রচ্ছদ » » ‘স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আর খুশিতে তখন কাঁদছিলেন পিয়াসা’


‘স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আর খুশিতে তখন কাঁদছিলেন পিয়াসা’

আমাদের নতুন সময় : 15/03/2019

আশরাফুল আলম খোকন

টাঙ্গাইল সদরের জোবায়দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী পিয়াসা সরকার। ছবি আঁকার হাত খুবই ভালো। ছবি আঁকাতে জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারও পেয়েছে সে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তার স্বপ্নের মানুষ।
গত আড়াই মাস চেষ্টা করে পিয়াসা বঙ্গবন্ধু কন্যার একটি পোট্রেট আঁকেন। তার মা তাপসী রাণী সরকার জানালো, মেয়েটা অনেক পরিশ্রম করেছে। মুখ মিলে তো চোখ মিলে না, চুল মিলে তো ব্রæ মিলে না। আড়াই মাস চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধুকন্যার ছবি নিয়ে পিয়াসা সন্তুষ্টি আসে। উদ্দেশ্য একটাই, যেকোনোভাবেই হোক এই ছবিটি সে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবে। তার সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে।
কীভাবে স্বপ্নটা সত্যি হলো আসুন এখন আসি সেই গল্পে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছবিটি নিয়ে তিনদিন আগে তারা ঢাকায় আসে। শিক্ষায় অবদান রাখার জন্য মোট ১০৮ জনকে এই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হবে, পিয়াসা এই ভাগ্যবানদের মধ্যে একজন। গত দুইদিন তারা অনেক চেষ্টা করেও ছবিটি প্রধানমন্ত্রীকে দেয়ার কোনো সুযোগ খুঁজে পায়নি। নিরাপত্তা বিভাগ থেকেও বলে দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত কোনো কিছু সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না।
পুরাপুরি হতাশ হয়েই আজ মা’কে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসে পিয়াসা। কাগজে মোড়ানো ছবিটি নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন বাবা শংকর চন্দ্র সরকার। মা-মেয়ে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হলেই তারা ছবিটি সঙ্গে করে নিয়েই টাঙ্গাইল চলে যাবেন। কিন্তু এগারো বছরের যেই শিশুটির স্বপ্নের মানুষ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তার সাহস নিশ্চয়ই কম নয়। যথারীতি নাম ডাকা হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে গিয়ে পুরস্কার নেয় তৃয়াসা সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিশুসুলভ আন্তরিকতায় আরো সাহসী হয়ে উঠে পিয়াসা। সে বলেই ফেলে ছবিটির কথা। কান্না করে দেয়। তাকে যে আনতে দেয়া হয়নি সেটিও বলতে ভোলেনি। সাথে সাথেই প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন ছবিটি নিয়ে আসার জন্য। তৎপর হয়ে উঠেন সবাই। পিয়াসার কাছ থেকে তার বাবার ফোন নম্বর নিয়ে তারা যোগাযোগ করেন। বাইরে ছবি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাবাকে ভেতরে নিয়ে আসেন। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভালোবাসায় আঁকা পোট্রেটটি তুলে দেয় পিয়াসা। বিকালে যখন পিয়াসার বাবা-মায়ের সাথে ফোন কথা হয় ততোক্ষণে তারা টাঙ্গাইল চলে গেছেন। তারা জানালেন, স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আর খুশিতে তখন কাঁদছিলেন পিয়াসা।
নির্বাচিত মন্তব্য : আবু বকর সিদ্দিক : আমার নিজের চোখেই পানি চলে আসছে। মাহমুদা নাসরিন : ধরেন, একজন শিশু মেধার এমন স্বাক্ষর রাখেনি যার কারণে সে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেবে, এমন প্রতিভাও নেই যে একটা ছবি এঁকে উপহার দেবে, কিন্তু সে বুদ্ধি-বিকাশের শুরু থেকেই শেখ হাসিনাকে প্রচÐ রকমের ভালোবাসে, তাকে এক নজর সামনে থেকে দেখতে চায়, একটু ছুঁয়ে দেখতে তার খুব সাধ। একটি শিশুর এই ইচ্ছে কীভাবে পূরণ করা যেতে পারে? একটু জানাতে বা পরামর্শ দিতে পারবেন? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]