সুদানে নতুন সরকারের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত ক্ষমতা ধরে না রাখার প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর

আমাদের নতুন সময় : 13/04/2019

লিহান লিমা: সুদানে প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের উৎখাতের পর বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে দেশটির জনগণ। তারা বলেছে, অতিসত্বর সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা জরুরি অবস্থা প্রত্যাখ্যান করে রাজধানী খার্তুমে সেনা সদরদপ্তরের সামনে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এদিকে সেনাবাহিনী বলছে, তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার কোন লক্ষ্য নেই। আল জাজিরা, বিবিসি, গার্ডিয়ান
শুক্রবার সুদান মিলিটারি কাউন্সিলের প্রধান ওমর জেইন আল-আবিদেন বলেন, ‘সরকারের জন্য পথ তৈরি করে সেনাবাহিনী এক মাসের মধ্যেই ক্ষমতা ছাড়তে প্রস্তুত। আমরা জনগণের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করব।’ যদিও বিক্ষোভকারী গ্রুপ ‘সুদান প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশন’ (এসপিএ) সেনাবাহিনীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অতিসত্বর ক্ষমতা সরকারের কাছে হস্তান্তর করার দাবি জানিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘অভুত্থানের নেতাদের সঙ্গে বশিরের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।’ এরআগে বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী জনগণের দাবির মুখে প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করে জরুরি অবস্থা জারি করে ও সংবিধান স্থগিত করে। তারা জানায়, দুই বছর পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন সময়ে সেনাবাহিনী দেশ পরিচালনা করবে।
আফ্রিকান ইউনিয়নও সেনাবাহিনীর ক্ষমতা নেয়ার নিন্দা জানিয়েছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেছেন, ‘দুই বছরের মিলিটারি কাউন্সিল কোন উত্তর হতে পারে না। তিনি সরকারি নেতৃত্বের আহ্বান জানিয়েছেন।’ এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এসপিএ জানায়, ‘জনগণ যার জন্য আন্দোলন করেছে সেনাবাহিনী থাকলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না। আমরা এর গোড়া ছিঁড়ে ফেলতে চাই। এই সেই শাসকদল যাদের বিরুদ্ধে আমাদের শহীদরা রক্ত গিয়েছে।’ ১৯৮৯ সালে সেনা অভ্যুথানের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিলেন বশির। তার বিরুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা রয়েছে। তবে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সুদানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টকে বহিঃসমর্পণ করা হবে না। সম্পাদনা : আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]