নববর্ষ নিয়ে পাঁচ তারকার পরিকল্পনা

আমাদের নতুন সময় : 14/04/2019

দেবদুলাল মুন্না : আজ পয়লা বৈশাখ। এদিন কে নিয়ে শো-বিজের তারকারা কি ভাবছেন , কেমন কাটাবেন দিনটি এ বিষয়ে গতকাল শনিবার কয়েকজন তারকা জানালেন তাদের পরিকল্পনা।
পরীমনি : আমার এবারের বৈশাখ স্বপ্নজালময়। ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটি গতবছর এসময় মুক্তি পেয়েছিল। এ ছবির শুভ্রা চরিত্রটি আমার ভীষণ প্রিয়। আমার কাছে শুভ্রা আয়নার মতো। আমি এই ছবিটার মধ্যে আমাকে দেখতে পাই। এমন ভাবে এই ছবির চরিত্র শুভ্রা আমার ভেতরে ভর করেছে। এই চরিত্রটির মধ্যে থেকে বের হতে ইচ্ছে করছে না। আমার শিল্পী স্বত্বাকে এই চরিত্রটির মধ্যে খুঁজে পেয়েছি। আমাকে এই ছবির নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম ভাই এই ছবিটিতে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছেন। ইচ্ছা আছে সেলিম ভাইয়ের বাসায় সকালে যেয়ে দুপুর পর্যন্ত কাটাবো। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে টিভি দেখবো।
ভাবনা : প্রতি বছরই অনেক প্রোগ্রাম থাকে এই দিনে। সবার সঙ্গে দেখা হয় আড্ডা হয়। অনেক ভালো লাগে। বাঙালীর এই উৎসবটি আমাদের রাঙিয়ে দিয়ে যায়। আমরা আসলে ইংরেজী তারিখ দেখে চলি। ছোটবেলা থেকেই এটা আমাদের অভ্যেস হয়ে গেছে। আমাদের স্কুল কলেজ, অফিস সব কিছুই এই নিয়মে চলে। হয় তো বাংলা তারিখ অনুসরণ করা হলে আমরা সেই নিয়মে অভ্যস্ত হতাম।
চঞ্চল চৌধুরী : আমি প্রতিবারই ভোরে রমনা পার্কে ছায়ানটের সঙ্গীতায়জনে যেতে চেষ্টা করি। বাঙালি হিসেবে আর দশটা মানুষের মতো আমিও বৈশাখটাকে ঠিক তেমনভাবেই উপভোগ করি। বিশেষ করে পহেলা বৈশাখ দিনটাকে। এই একটা দিনই তো আমরা সবাই মিলে একই রঙে, একই আমেজে কাটাতে পারি। একই ময়দানে আমরা সবাই হাজির হই। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন থেকে শুরু করে একই দিনে যত ধরনের আয়োজন হয় সব আয়োজনই আমরা একসঙ্গে আনন্দ-ফুর্তিতে কাটাই। এই দিনটি শুধু আমার নয়। আমি মনে করি আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষের জন্যই এই দিনটি আলাদা ভাবে ভালো লাগার একটি দিন। চলুন সবাই মেতে উঠি বৈশাখী উৎসবে। সবার মনে লাগুক বৈশাখের রঙ। আর এই রঙে রঙিন হয়ে কেটে যাক আগামীর দিনগুলো।
ফাহমিদা নবী : পহেলা বৈশাখের আগে নানারকম পরিকল্পনা করতাম আমরা। আমি, সোমা, পঞ্চম আর অন্তরা সবাই মিলে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রিকশা করে রমনায় যেতাম। খুব সকালে আম্মা সবাইকে সাজিয়ে দিতেন। আমাদের দলের নেতৃত্ব দিতেন খালারা। রমনা গিয়ে দেখতাম বাবার সব সহকর্মী সেখানে হাজির। তারা গান করবেন। তাদের গানগুলো তো আমাদের ঠোঁটস্থ থাকত। আমরা তাদের সঙ্গে গলা মেলাতাম। ফেরার পথে আমি নাগরদোলা চড়ব বলে বায়না করতাম। এখনও মেলায় গেলে নাগরদোলায় চড়ি। এখন মেলায় যাবার সুযোগ নেই। নানা অনুষ্ঠানে যেতে হয়। নানা অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে হয়।এবার বাপ্পা চৌধুরীর বাসায় আড্ডা হবে। সেখানে যাবো।
আনিসুর রহমান মিলন : আমার শৈশবে দেখতাম আব্বা ঘুম থেকে উঠেই মিষ্টি ও দই আনতেন। সবাই খেতাম। আমি ভোরে ফুল চুরি করে আনতাম। এখনও এর ব্যাতয় ঘটে না। এখন বাবা নেই। আমার ছোট ভাই বোনেরা আমাকে প্রতিবছর সাদা লুঙ্গি ও গামছা দেয়। হয়তো পরিবারে আমি বড়ো বলেই বাবা’কে স্মরণ করে দেয়। আমিও তাদেরকে নতুন জামা কাপড় দেই। এটি বংশপরম্পরায় চলবে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]