গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য সবাইকে ভূমিকা রাখতে বললেন প্রধান বিচারপতি

আমাদের নতুন সময় : 21/04/2019

নূর মোহাম্মদ : একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সবাইকে ভূমিকা রাখর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। এম্পাওয়ারমেন্ট থ্রুল অব দ্য কমন পিপল নামে একটি সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড.মিজানুর রহমান।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের দেশে প্রতি ১০ লাখ লোকের জন্য ১০ জন বিচারক। ভারতে ১৮ জন আর যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ জন। আমাদের দেশে ৯০ ভাগ মামলা ট্রায়ালে যায়। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইউরোপে মাত্র ১০ থেকে ১৫ ভাগ মামলা ট্রায়ালে যায়। মামলা বিচারের আগেই দোষ স্বীকার করে সবাই বাড়ি চলে যায়। আর আমাদের দেশে মনে করা হয় দোষ স্বীকার করবো না, আমি নির্দোষ।
তিনি বলেন, একবার লন্ডনে দেখলাম একটি মামলায় পুলিশকে নিয়ে আসলো। পুলিশের সঙ্গে আলোচনা শেষে আনলো আসামিকে। তাকে বলা হলো কি করবে দেখো। মামলা ট্রায়ালে গেলে, সাক্ষি দিলে সাজা হবে ১৪ বছর। আর যদি দোষ স্বীকার করো তাহলে ৭ বছর সাজা দেওয়া হবে। তখন আসামি দোষ স্বীকার করে নিল।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের কালচার যতদিন পরিবর্তন না হবে ততদিন মামলার জট লেগেই থাকবে। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্টে মামলা ছিল ২৫ হাজার। আর এখন মামলা ৫ লাখ। এখন মানুষ মনে করে আমি আর ঘরে বসে থাকবো না। আমি সাফার করেছি, অবশ্যই কোর্টে যাবো। যার ফলে মানুষ এখন ব্যাপক হারে কোর্টে আসছে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। যে, সব কিছু ট্রায়ালে শেষ হবে না। আসামিকে বলতে তোমার বিরুদ্ধে এসব সাক্ষ-প্রমাণ যোগাড় করা হয়েছে। এখন দোষ স্বীকার করলে ৩ বছর সাজা হবে নইলে ১০ বছর সাজা হতে পারে। তাহলে হয়তো মামলা জট কমানো যাবে বলে মনে করেন তিনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]