• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ায় আগে বন্যা, পরে হবে মরুকরণ, সর্বাধিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ


জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ায় আগে বন্যা, পরে হবে মরুকরণ, সর্বাধিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

আমাদের নতুন সময় : 21/04/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : হিমবাহ নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানীদের একটি দল জানিয়েছেন, সমুদ্রের হিমবাহগুলোর তুলনায় স্থল হিমবাহগুলো বেশি গলে যাচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হিমালয় সংশ্লিষ্ট হিমবাহগুলো। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি স্থল হিমবাহ আছে হিমালয় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে। যা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানির উৎস। এভাবে বরফ গলতে থাকলে, একসময় বড় ধরনের বন্যা দেখা যাবে হিমালয়ের ভাটিতে। পরবর্তীতে দেখা দেবে ভয়াবহ মরুকরণ, যাতে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলাদেশ। আক্কু ওয়েদার।

ইউরোপ এবং কানাডার গবেষকরা এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। তারা মোট ১৯ হাজার জল ও স্থল হিমবাহের উপর গবেষণা পরিচালনা করেছেন। এটি এখন পর্যন্ত হিমবাহের উপর চালানো সবচেয়ে বড় পরিসরে গবেষণা। মোট ৪৮টি দেশজুড়ে চলেছে এই গবেষণা। পৃথিবীর স্থল হিমবাহের প্রায় ৭০ শতাংশই পাকিস্তানে অবস্থিত। দেশটিতে মোট ৭ হাজার ২৫৩টি জানা হিমবাহ রয়েছে। এর ৫৪৩টিই চিত্রাল উপতক্যায় অবস্থিত। ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধীতা থাকা এবং ভারতের নিয়ন্ত্রণ থাকা সিয়াচিন হিমবাহ বিশে^র বৃহত্তম স্থল হিমবাহ। হিমবাহটি প্রচ- দ্রুতগতিতে গলছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিন এই হিমবাহ থেকে ৩ লাখ গ্যালন পানি কমে যাচ্ছে। যা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়। একই অবস্থা পাকিস্তানের বালটরো হিমবাহের। সময়ের সঙ্গে সংকুচিত হয়ে আসছে হিমবাহটি। অক্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে গঙ্গোত্রি হিমবাহটি। এই হিমবাহগুলো গলার ফলে বাংলাদেশের মতো ভাটির দেশগুলোতে দেখা দেবে আকস্মিক বন্যা।   সম্পাদনা: লিহান লিমা




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]