গরমে বেড়েছে ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি

আমাদের নতুন সময় : 10/05/2019

তাপসী রাবেয়া : আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে গরম কমছে না শিগগিরই। চলতি মাসেই একটি তীব্র ও দুটি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে বলে সতর্কতা  জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর এই তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকের পাশাপাশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়াতে। আইসডিডিআরবির তথ্য মতে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৩৮ জন। এর মধ্যে ১লা মে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিলো ৬৯৪। ২ মে ৭০১ জন, ৩ মে ৫৪৯ জন, ৪ মে ৫৩৩ জন, ৫ মে ৬২৭ জন, ৬ মে ৬৩৯ জন এবং ৭ মে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিলো ৫৯৫ জন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কাওসার আলম বলেন, খুবই সতর্কতার সঙ্গে এসময় পানি পান করতে হবে। বিশুদ্ধ পানির নিশ্চিত না হয়ে রাস্তার পানি পানের কারণে বাড়ছে ডায়রিয়া। শুধু ডায়রিয়া নয়, ভাইরাস জ্বরেরও প্রকোপ বাড়ছে। বয়স্কদের পাশাপশি শিশুদেরও যতœ নেয়ার কথা জানান তিনি।

ঢাক মেডিক্যালের চিকিৎসকরা বলছেন, দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে মানুষের শরীরে। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে হিটস্ট্রোক হতে পারে। সাধারণত মানবদেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রক্ত ভূমিকা রাখে। আবহাওয়া উষ্ণ হলে রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং শরীরের তাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। ফলে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা হারিয়ে হিটস্ট্রোক হয়। এটাকে অবহেলা করার সুযোগ নেই, হিটস্ট্রোকের কারণে মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন এবং যারা নিয়মিত মানসিক রোগের ও ব্যথানাশের ওষুধ খান, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

গরম ও রোজা তাই বেশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা বলেন, অতিরিক্ত গরমে মানুষ বেশি ঘামে, ফলে শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। শরীর থেকে সোডিয়াম বের হয়ে গিয়ে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স তৈরি হতে পারে। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান ও শরীর বারবার মুছে ফেলার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।

তীব্র গরমে ইউরিন (মূত্রনালী) ইনফেকশনের পরিমাণও বেড়ে যায় বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে গরমের কারণে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]