বৈশাখ-জৈষ্ঠ্যের এই গরম স্বাভাবিক এবং মঙ্গলজনক, বললেন ড. আইনুন নিশাত

আমাদের নতুন সময় : 10/05/2019

তাপসী রাবেয়া : গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে দেশবাসী। গরমে হাহাকার বাড়লেও এই গরমকেই স্বাগত জানিয়েছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।

গ্রীষ্মের এই গরম কি অস্বাভাবিক কিনা জানতে চাওয়া হলে এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, এখনকার তাপমাত্রা গ্রীষ্মকাল হিসেবে খুবই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, বৈশাখ জৈষ্ঠ্যে গরম না পড়লে মধুমাসের ফল পাকবে কি করে। আর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ফল না পাকলে বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিবে বলে জানান তিনি। গেলো গ্রীষ্মের উদহারণ টেনে বলেন, পিটিয়ে ফল পাকানোর মতো ঘটনা ঘটেছে শুধু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফল না পাকার কারণে।

বলেন, আম-কাঁঠালের সময় তাপমাত্রা বেশি থাকায় কৃষকরা খুশি হয়েছে। কিছুটা বৃষ্টিপাত হওয়াও কৃষকদের জন্য ভালো হয়েছে বলেও জানান তিনি। আগাম বৃষ্টিতে পাট, মরিচ আর গ্রীষ্মকালীন ফসলের জন্য ভালো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই জলবারু বিশেষজ্ঞ বলেন, এটা ঠিক এই গরমে শহুরে মানুষে কষ্ট বেড়েছে। যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ন এসবের জন্য নগরবাসীর অস্বস্তি বেশি বলেও জানান তিনি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে এই তাপমাত্রা বাড়ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গেলো দেড় দশকে সারা বিশ্বেও তাপমাত্রা বেড়েছে ১ ডিগ্রি। তার প্রভাবে এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি না। তবে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে ধীরে ধীরে আগামী ৬০-৭০ বছর পর তাপমাত্রা বাড়বে ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি। যা ক্ষতিকর।

উল্লেখ, বাংলাদেশ সারাবিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত হুমিকতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে। আন্তর্জাতিক  গবেষণা প্রতিষ্ঠান  জার্মান ওয়াচের প্রকাশিত গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত করণে ক্ষতির বিচারে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে প্রথম অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। এই সমীক্ষা চালানো হয় ১৯৯০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত। ১৯৩টি দেশের মধ্যে পরিচালিত হয় এই জরিপ। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]