• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বললেন, পাবলিক প্রসিকিউটররা সততা ও দ্রুততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে ধর্ষণ মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা হবে না


ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বললেন, পাবলিক প্রসিকিউটররা সততা ও দ্রুততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে ধর্ষণ মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা হবে না

আমাদের নতুন সময় : 10/05/2019

আমিরুল ইসলাম : সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে ধর্ষণের পরিমাণ খুব বেড়ে যাচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ধর্ষণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা, ধর্ষণের মামলাগুলো দেখার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা প্রয়োজন কিনা জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে, মামলা আদালতে গেলে সাক্ষী তাড়াতাড়ি চলে আসে এবং পাবলিক প্রসিকিউটররা সততা ও দ্রুততার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করলে ধর্ষণ মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা হবে না। এর জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজন নেই।

আমাদের নতুন সময়কে তিনি বলেন, দীর্ঘসূত্রতা হয় সাক্ষী না আসার কারণে। সাক্ষী যেন আসে তার ব্যবস্থা করতে হবে। যারা বিচারের দায়িত্বে থাকবে আদালতে তাদের আদেশ দিতে হবে যেন সাক্ষী হাজির করে। তাহলে শুনানিতে দীর্ঘ সময় লাগবে না এবং বিচার দ্রুত এগিয়ে যাবে। পাবলিক প্রসিকিউটর যারা আছেন তাদেরও সততার সঙ্গে, দক্ষতার সঙ্গে এবং দ্রততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ধর্ষণের বিচারের জন্য নতুন ট্রাইব্যুনালের দরকার হবে না। দুইটা ট্রাইব্যুনাল তো এমনিতেই আছে, সেখানে মামলাগুলো স্থানান্তর করলেই হবে। প্রসিকিউটরদের উপর বিচাকার্যের গতি অনেকটা নির্ভর করছে। যারা সরকার পক্ষের কৌঁসুলী তারা যদি উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করেন, কোনো রকমের মুলতবিতে অংশ না নেয়, সাক্ষী হাজির থাকলে বিচার তাড়াতাড়ি হবে। এটা নির্ভর করছে সরকার পক্ষের প্রসিকিউটরদের ওপর।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]