ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনকে খাদ্য নিতে হবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো থেকে

আমাদের নতুন সময় : 10/05/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এবং বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিন। ধারণা করা হচ্ছে খুব দ্রুতই তারা একমত হয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবেন। ফলে যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে বের হয়ে যাবে এবং কাস্টমস ইউনিয়ন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে। যুক্তরাজ্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ কোন দেশ নয়। তারা ইউরোপ এবং ইউরোপের বাইরে থেকে খাদ্য আমদানি করে। তবে তারা খাদ্যের জন্য ইউরোপের উপরেই নির্ভরশীল। কমন কাস্টমস থেকে আলাদা হয়ে গেলে তারা স্বল্প খরচে এশিয়া থেকে খাদ্য আমদানি করতে চাইবে। এই তালিকায় থাকতে পারে বাংলাদেশও। টেলিগ্রাফ।

টেলিগ্রাফের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে যুক্তরাজ্য তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যের ৭৫ শতাংশই আমদানি করেছে ইইউ থেকে। ১১৯টি আলাদা ধরণের খাদ্যের উপর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যুক্তরাজ্য এই খাবারগুলো ইউরোপের বাইরে থেকেও আনতে পারবে। তবে এজন্য তাদের খরচ অনেক বেশি হবে। উদাহরণ হিসেবে তারা ব্রাজিল থেকেই ৩০ শতাংশ খাবার আনতে পারবে। কিন্তু তারা চায় কম খরচে এশিয়ান দেশগুলো থেকে খাবার নিতে। তাদের লক্ষ্য হলো ভারত থেকে চাল, ময়দা, গরুর মাংস, মৌসুমী ফল আর মধু আমদানি করা। তুরস্ক ধেকে ডাল, ডুমুর, পেঁয়াজ, সুজি আর অ্যাপ্রিকট (আলু বোখরা) নিতে আগ্রহ যুক্তরাজ্যের। সৌদি আরব, মিশর, আমিরাত থেকে খেজুর, যব, চীন থেকে শুকেিরর মাংস, ভিয়েতনাম থেকে চাল, মাংস আমদানি করারর সুপারিশ করা হয়েছে। আর বাংলাদেশ থেকে ভুট্টা, সবজি, মৌসুমি ফল আর সামুদ্রিক খাদ্য আমদানি করতে পারে ব্রেক্সিট পরবর্তী যুক্তরাজ্য।

যুক্তরাজ্যের খাদ্য মন্ত্রণালয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে টেলিগ্রাফ। কারণ শিল্পোন্নত দেশটির নিজস্ব খাদ্য উৎপাদন বলতে কিছুই নেই। যেহেতু নিজেদের খাদ্য উৎপাদন সক্ষমতা নেই, তাই তারা সস্তায় খাবারের উৎস খুঁজছে। ২০১৭ সালে শুধু ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকেই ৩ হাজার ৪০ কোটি পাউন্ডের খাদ্য আমদানি করে যুক্তরাজ্য। সম্পাদনা: লিহান লিমা

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]