আসছে নতুন আইন, হতে হবে লক্ষাধিক এনজিওকে নতুনভাবে নিবন্ধিত

আমাদের নতুন সময় : 11/05/2019

দেবদুলাল মুন্না : শিগগির ‘স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১’-এর পরিবর্তে নতুন আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এই খসড়া আইন অনুযায়ী দেশি-বিদেশি এনজিওগুলোকে নতুন করে নিবন্ধন নিতে হবে। কারণ একবার নিবন্ধন পেলেই অনন্তকালের জন্য পার পাওয়ার সুযোগ থাকছে না। প্রতি পাঁচ বছর পর পর সরকারের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নবায়ন করার বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে। এ ক্ষেত্রে সরকার সন্তুষ্ট না হলে নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের শর্তের খেলাপ বা আর্থিক অনিয়ম, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী কাজের কারণে সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটি স্থগিত করে প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে। খসড়া আইনের ১৪ ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী অনুমোদিত সব সংস্থার প্রত্যেক তিন মাসের ব্যাংক হিসাব স্থানীয় সমাজসেবা অফিসে দিতে হবে। তবে আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী সরকার চাইলে যেকোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে দায়মুক্তি দিতে পারবে। দেশে বিদেশি অনুদাননির্ভর এনজিওর সংখ্যা আড়াই হাজারের মতো। এ ছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অধীনে দেশি এনজিও আছে লক্ষাধিক। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আশা করব, সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলেই আইনটি চুড়ান্ত করা হবে। অংশীজনদের মতামত নিয়ে আইনটি করলে ভালো হবে।’নিজেরা করির সমন্বয়ক খুশী কবির বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। যেসব বিধানের কথা শুনলাম তা সংবিধানে দেওয়া সংগঠন করার অধিকারের পরিপন্থী বলে মনে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আইনে যদি সংগঠন নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো গ্রহণযোগ্য না করা হয় তাহলে আদালতে চ্যালেঞ্জে পড়বে।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন সামরিক সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলোকে আইনে পরিণত করছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় সরকার সময়ের সঙ্গে সংগতি এবং ভবিষ্যতের বিষয়গুলো মাথায় রেখে নতুন আইনটি করতে যাচ্ছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]