দুই মেয়রের নির্দেশনা মানছে না মাংস ব্যবসায়িরা

আমাদের নতুন সময় : 11/05/2019

সুজিৎ নন্দী : রাজধানীতে রমজান উপলক্ষে মাংস ব্যবসায়িদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্ধারণ করা দাম মানছেন না মাংস ব্যবসায়িরা। ২৫ থেকে ৭৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন গরুর মাংস। এছাড়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা নেই। গতকাল মিরপুর কাঁচাবাজারের পাঁচ মাংস ব্যবসায়িকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতরের ঢাকা জেলা অফিসের সহকারী পরিচালক।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, রমজান মাস উপলক্ষে বাজারে ‘বিশেষ অভিযান’ এর অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়। এখানে বেশিরভাগ দোকানে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত দাম ৫২৫ টাকার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করতে দেখা যায়। অনেক দোকানে আবার আইন অনুযায়ী মূল্য তালিকা টাঙানো হয়নি। এসব অভিযোগে ৫টি মাংস বিক্রির প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কর্মকর্তারা জানান, এ অভিযানে মা গোস্ত বিতানকে পাঁচ হাজার টাকা, রানা গোস্ত বিতানকে তিন হাজার টাকা, নাসিরের মাংসের দোকানকে পাঁচ হাজার এবং পীরেরবাগ অলি মিয়ার কাঁচা বাজারের ছাত্তারের মাংস বিতানকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে রোজায় মাংসের দাম নির্ধারণ করে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী দেশি গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫২৫ টাকা এবং বিদেশি বা বোল্ডার গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫শ’ টাকা ও মহিষের মাংস কেজি প্রতি ৪৮০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খাসির মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা এবং ভেড়া ও ছাগির মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা ধরে বিক্রির জন্য এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। পহেলা রমজান থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত এই দামে মাংস বিক্রি করতে হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]