বিশ্বে আর্সেনিক বিষক্রিয়ায় সবচাইতে বেশিমৃত্যুঝুঁকিতে বাংলাদেশের শিশু- কিশোররা

আমাদের নতুন সময় : 11/05/2019

নূর মাজিদ : দেশের প্রায় আড়াই কোটি মানুষ আর্সেনিক দূষণের কবলে। প্রতিবছর খাবার পানিতে বিদ্যমান আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় ৪৫ হাজার মানুষ অকালমৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। জাতিসংঘের বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বা হু ২০১৬ সালে এই তথ্য জানায়।  তবে সবচাইতে বেশি মৃত্যুঝুঁকি অপেক্ষাকৃত নবীন বয়সের জনগোষ্ঠী বা শিশু-কিশোরদের। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে একথা জানায়, দেশের শীর্ষ জনস্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা আইসিডিডিআরবি বা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়ারিয়া রিসার্চ সেন্টার। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ট্রিবিউন।

দেশে আর্সেনিকের উপস্থিতি বেশি এমন অঞ্চলগুলোর ৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ওপর এই গবেষণা পরিচালনা করা হয়। আইসিডিডিআরবি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্সেনিকের উপস্থিতি বেশি এমন উৎসের পানি পান করে অপেক্ষাকৃত নবীনেরা জটিল সব আন্ত্রিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই সকল রোগের মোকাবেলায় তাদের প্রতিরোধ সক্ষমতা পূর্ণবয়স্কদের তুলনায় অনেক কম। ফলে এদের মাঝে প্রাণহানির সংখ্যাও অনেক বেশি। ক্যান্সার, ফুসফুস বা শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা, হৃদরোগ ইত্যাদি রোগেও তারা আক্রান্ত হচ্ছেন।

আইসিডিডিআরবি’র শীর্ষ গবেষক ড. মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আর্সেনিক একটি বিষাক্ত খনিজ মিশ্রণ। যা শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপরই নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। এটা মোকাবেলার শারীরিক সক্ষমতা নবীন জনগোষ্ঠীর তুলনায় পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি কাজ করে। ’

তিনি আরো জানান, ‘এটা দেশের স¤পূর্ণ জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য এক ভয়াবহ দুর্যোগ। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, আর্সেনিক বিষক্রিয়ায় হুমকির মুখে রয়েছে এমন জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়েছে। এই অবস্থা মোকাবেলায় সকল সরকারি এবং বেসরকারিসংস্থার পক্ষ থেকে জরূরীভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। কারণ, আমাদের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আর্সেনিকের বিষে অকালমৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।’ সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]