• প্রচ্ছদ » » আমরা নিজেরা নিজেদের সমালোচনা না করেই অন্যের সমালোচনা করি, কারণ আমরাই একমাত্র ফ্রি থিঙ্কার!


আমরা নিজেরা নিজেদের সমালোচনা না করেই অন্যের সমালোচনা করি, কারণ আমরাই একমাত্র ফ্রি থিঙ্কার!

আমাদের নতুন সময় : 12/05/2019

কামরুল হাসান মামুন

আমার লেখালেখি যারা ফলো করেন তারা নিশ্চয়ই অবগত যে, আমি শিক্ষা এবং শিক্ষকতা প্রফেশনকে নিয়ে কি পরিমাণ আলোচনা এবং সমালোচনা করি। শুধু আমি না শিক্ষকতায় যারা আছেন তারা সবাই কমবেশি আলোচনা এবং সমালোচনা করে। অনেক সময় সমালোচনাগুলো নিজেদের স্বার্থের বাইরেও যায় যা আবার বৃহত্তর কল্যাণ আনার সহায়ক হতে পারে। কীভাবে আমাদের সিস্টেমকে উন্নত করা যায়, কীভাবে নিয়োগ এবং প্রমোশন নীতি আরো কঠিন থেকে কঠিনতর করা যায় ইত্যাদি নিয়ে নানা সময় অনেক কঠিন কথা বলেছি। আমার সহকর্মী শিক্ষক সমাজ তাই বলে আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েনি। বরং তারাও নানা পরামর্শ দিয়ে আলোচনাকে আরো প্রাণবন্ত ও শাণিত করেছে এবং করে যাচ্ছে। আবার আমি কিছু লিখলে আমার সহকর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে না জি স্যার, সহমত স্যার, ঠিক বলেছেন স্যার। বরং উল্টো ঘটে। এমনি এমনি শিক্ষকতাকে একটি মহান পেশা বলা হয় না। অনেক কারণের মধ্যে এটাও একটি বড় কারণ।
শিক্ষকতা পেশা নিয়ে কি কেবল শিক্ষকরাই বলছেন? মোটেও না। সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষ বলে। এমনকি টক্-শোতে গিয়েও বলে। বক্তব্যগুলো অনেক সময় কটু ও বাঁকা হয়। তাতেও কিন্তু শিক্ষক সমাজ কোনো প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উত্তর দেয় না। কারণ শিক্ষকরা জানে আলোচনা ও সমালোচার মাধ্যমেই কেবল নতুন নতুন আইডিয়া বের হয়ে আসবে। সহমত ভাই, জি স্যার ইত্যাদি তোষামোদি শব্দের ব্যবহার খুব কমই এখানে হয়। এই খোলামনটাই তো আরো বেশি করে চাই। অন্য কোনো প্রফেশনের কাউকে কেউ পাবলিকলি নিজেদের নিয়ে সমালোচনা করতে আজ পর্যন্ত দেখেছেন? কি জানি? কালেভদ্রে কখনো হতেও পারে, কিন্তু নিরন্তরভাবে কখনো হয়নি বা হয় না। যা হওয়া খুবই জরুরি। আমরা নিজেরা নিজেদের সমালোচনা করেই অন্যের সমালোচনা করি। কারণ আমরাই একমাত্র ফ্রি থিঙ্কার! পিরিয়ড। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]