ঈদ আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিবাড়ীগুলো

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

তাপসী রাবেয়া : চলছে রমজানের প্রথম সপ্তাহ। এরই মধ্যে ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে দর্জির দোকানে। ঈদকে সামনে রেখে ফ্যাশন-সচেতন আর রুচিশীল ব্যক্তিরা ছুটছেন দর্জি বাড়িতে। আগেভাগেই নিজেদের পছন্দের জামা-কাপড় বানিয়ে রাখছেন তারা। এজন্য দর্জি পাড়ায় বেড়েছে ঈদ কেন্দ্রিক ব্যস্ততা। চাঁদ রাতের আগেই ক্রেতারাদের হাতে পোশাক তুলে দিতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগররা। গতকাল রোবাবার  রাজধানীর কলাবাগান, কাঠালবাগান, ধানমন্ডি, পান্থপথ, রাজাবাজার, শুক্রাবাদ, মিরপুর রোড এলাকার পোশাক তৈরির দোকানগুলোতে ব্যস্ততা চোখে পড়ে। রোজার প্রথম সপ্তাহেই এই ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো।

বিভিন্ন উৎসবে-পার্বনে দর্জির কাছে ইচ্ছে মতো পোশাক বানানোর রীতি রেওয়াজ বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ। তাই দর্জির দোকানে ভিড় করছেন সব শ্রেণি পেশার মানুষই। তবে বরাবরের মতো এবারও তরুণীদের সংখ্যাই বেশি।

ক্রেতারা বলছেন এই গরমে নিজেদের পচ্ছন্দ আর নিজস্ব স্টাইলের পোশাক পড়তে চান তারা।

চাঁদনী চকে গজ কাপরের দোকান অপ্সরার রাজু আহমেদ বলেন, শবে বরাতের পর থেকেই শুরু হয়েছে ঈদ কেন্দ্রিক বিক্রি। এবার মেয়েরা আরামদায়ক সুতি, লিলেন আর হালকা জর্জেটের কাপড় কিনছে।

কাপড় বিতানের বিক্রেতা মুনতারি বলেন, শোরুমের কাপড় চোপড় কিনলেও একটা দুইটা গজ কাপড় কিনেন ক্রেতারা। এক্ষত্রে একটু ভিন্ন রুচির ভারতীয়, পাকিস্তানী কাপড় পচ্ছন্দ করছেন তারা।

কলাবাগান এলাকার পুস্প লেডিস টেইলর্সের খোকন আহমদে বলেন, ১৫ রোজার পর আর অর্ডার নেয়া হবে না। একই এলাকার অঞ্জলী টেইলার্সের মিনহাজ আহমেদও বলেন ১৫ রোজার পর অর্ডার নিবেন না তারা। এসব দোকানে সালওয়ার কামিজ বানাতে ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরি রাখছেন তারা।

মেট্রো শপিং মল, এ আর প্লাজা, রাপা প্লাজার দোকানগুলোতে ১২ রোজার পর আর অর্ডার নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দোকানের কারিগররা। এসব দোকানো সালওয়ার কামিজের মজুরি শুরু হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে। কাপড় আর ডিজাইন ভেদে মজুরি ১২শ টাকাও নি”্ছনে তারা। নিউ ভাই ভাই টেইলার্সের কারিগর মহিউদ্দিন বলেন, ছেলেরা মুলত পাঞ্জবি বানাতে দেয় ঈদে। এক্ষেত্রে মজুরি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা রাখা হয়। রাপা প্লাজার দর্জিরা বলছেন, দিন যত যাবে চাপ আর ব্যস্ততা আরো বাড়ছে।

শুধু দর্জির দোকান নয় তৈরী পোশাকের দোকানগুলোতেও ভীড় শুরু হয়ে গেছে।

গ্রামীণ ইউনিকলোর সেলস এক্সিকিউটিভ নির্জন এ প্রতিবেদককে বলেন, মূলত উচ্চ মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছেন। এসব দোকানে নিন্মবিত্তরা কেনাকাটা করেন না বলেও জানান তিনি।

বসুন্ধরা সিটিতে ভীড় শুরু হয় দুপুরের পর থেকেই। দেশিদশ , আড়ং, ইনফিনিটি, স্মার্টেক্স, ইয়োলো ছাড়াও সাধারণ দোকানগুলোতে ক্রেতাদের সমাগম শুরু হয়ে গেছে। সামনের শুক্র শনিবার এই বিক্রি আরো বাড়বে বলে জানান দোকানিরা। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]