• প্রচ্ছদ » » ক্ষুধার্তের অন্ন যারা জোরপূর্বক বন্ধ করে দিতে চায় তারা আসলে কোন অন্নদাতাকে সন্তুষ্ট করলো ?


ক্ষুধার্তের অন্ন যারা জোরপূর্বক বন্ধ করে দিতে চায় তারা আসলে কোন অন্নদাতাকে সন্তুষ্ট করলো ?

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

শুভ কামাল

রমজানের মূল শিক্ষাটা কি আসলে? জানি, সবাই বলবেন ক্ষুধার্তের ক্ষুধাটা অনুভব করা। তাহলে যারা রোজার মাসে সব হোটেল জোরপূর্বক বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে ক্ষুধার্ত রাখতে চায় তারা রোজা রেখে কি শিখলো?
কার কি সমস্যা তা তো কেউ জানে না। কেউ অসুস্থ থাকতে পারে, ভিন্ন ধর্মের লোক থাকতে পারে, কেউ সফররত থাকতে পারে কিংবা কেউ কোনো ভ্যালিড কারণে সেদিন রোজা না থাকতে পারে, সে হয়তো নিজের সঙ্গে কথা বলে তার সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিজের মনকে প্রবোধ দিয়ে রোজা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাবারের দোকান খোলা রাখলে কারো ঈমান আবার নড়চড় হয়ে যায়, তাদের রোজা কেমন রোজা? খাবার দেখলেই যাদের ঈমানপাত হয়ে যায় তারা রোজা রাখতে যায় কেন? অন্যের খাবার বন্ধ করে যে রোজা রাখতে হয় সেটা কোন ধরনের কার্যকরী রোজা?
কার কীভাবে হেদায়েত হবে কেউ জানে না। কই ৯০ শতাংশের দেশে অর্ধেক জীবন থেকেও তো জীবনে কখনো ৩০টা রোজা রাখিনি, বরং এই আমেরিকা এসে পর পর তিনবার তিরিশটা রোজা রেখেছি, এবারেও চেষ্টা করছি। এতো সব খাবারের দোকান আশপাশে খোলা, পকেটে পর্যাপ্ত পয়সা থাকা সত্তে¡ও তো আমার রোজা রাখায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না! জোর করে কোনো কিছু কখনো হয়েছে নাকি? কখনো হয় নাকি?
অন্যের খাবার জোরপূর্বক বন্ধ করে বেহেশতে যাওয়ার মতো ছ্যাঁচড়ামি কি কোনো ধর্ম শেখায় নাকি? এমন অন্যকে কষ্ট দিয়ে বেহেশতে যেতে চাওয়া লোকেরা কারা? এরা কি আসলেই বেহেশত-টেহেশত ডিজার্ভ করে? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]