• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » ভর্তুকির টাকা পেলেই বকেয়া মজুরি শোধ, জানালেন  বিজেএমসির চেয়ারম্যান ঈদের আগেই সব বকেয়া বেতনসহ বোনাসের দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে, বললেন পাটকল শ্রমিক নেতা


ভর্তুকির টাকা পেলেই বকেয়া মজুরি শোধ, জানালেন  বিজেএমসির চেয়ারম্যান ঈদের আগেই সব বকেয়া বেতনসহ বোনাসের দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে, বললেন পাটকল শ্রমিক নেতা

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

ফাতেমা ইসলাম : রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল শ্রমিকরা তাদের বকেয়া মজুরির দাবিতে লাগাতার ধর্মঘট করছেন। দাবি আদায়ে করছেন সড়ক অবরোধ। বকেয়া পরিশোধে সরকারের কাছে সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা চেয়েছে বিজিএমসি। বাংলাদেশ জুটমিল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) ২৭টি জুটমিলের প্রায় ৮০ হাজার শ্রমিকের ১৪ সপ্তাহের অর্থাৎ সাড়ে তিন মাসের বেতন বকেয়া পড়ে আছে। সেই সাথে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বকেয়া আছে চার মাসের। বকেয়া মজুরির দাবিতে শ্রমিকরা আগেও কয়েক দফা আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু বকেয়া বেতন পাননি তারা। তাই ২ মে থেকে জুটমিলগুলোতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ও সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি পালন করছেন শ্রমিকরা।

রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল শ্রমিক (সিবিএ নন-সিবিএ) ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, প্রত্যেকটি পাটকলেই মজুরি বকেয়া আছে। গড়ে ১৪ সপ্তাহের মজুরি বকেয়া আছে। আর ২০১৫ সালের নতুন মজুরি সবখানে বাস্তবায়ন হলেও আমরা এখনো পাইনি। পাটের অভাবে কলগুলো উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ৪০ ভাগ উৎপাদন করতে পারে। আর পুরনো যন্ত্রপাতি মেরামত ও আধুনিকায়ন না করায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। যদি কলগুলোকে আধুনিকায়ন করা হতো তাহলে উৎপাদন বাড়ানো যেত।

তিনি জানান, ‘‘রোজার ঈদের বোনাসসহ শ্রমিক-কর্মচারীদের মজুরি, বেতন ভাতা বাবদ প্রায় দু’শ কোটি টাকা বকেয়া পড়েছে। এটা আমরা ঈদের আগেই চাই। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলবে।’’

অপরদিকে চলমান শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে বিজেএমসি’র চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম ডয়চে ভেলেকে বলেন, জুন পর্যন্ত বকেয়া ও পাওনা মেটাতে সরকারের কাছে ৩শ’ ৩৮ কোটি টাকা চেয়েছি। আশা করছি চলতি সপ্তাহের মধ্যে ভর্তুকির টাকা পেয়ে যাবো। ভর্তুকি’র টাকা পেলেইে তাদের বকেয়া মজুরি শোধ করে দেব। এটা তাদের জানানো হয়েছে। এরপরও তারা কারখানা বন্ধ করে, উৎপাদন বন্ধ করে যে ধর্মঘট করছে তা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’’

তিনি বলেন, ‘‘যত ভর্তুকির কথা শোনা যায় আসলে অত ভতুর্কি দিতে হয়না। আমরা এ পর্যন্ত তো বেতন ভাতা দিয়েই আসছিলাম। তবে কখনো বিক্রির টাকা পেতে দেরি হয়। পাট কিনতে হয়। এ কারণে সংকট তৈরি হয়। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]