ভারত থেকে গরু আসলেই কমে যাবে গোশতের দাম দাবি গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

ইসমাঈল ইমু : ভারত থেকে গরু-মহিষ আমদানি চালু থাকলে গোশতের দাম কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা। গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তারা।

পশু ব্যবসায়ী সমিতির চেয়ারম্যান হাজী মুজিবর রহমান বলেন, ভারত সীমান্তে ১৬ টি করিডোর রয়েছে। এগুলো এখন বন্ধ রয়েছে। এগুলো খুলে দেয়া হলে বিপুল সংখ্যাক গরু আমাদানি করা যেত। এতে মাংসের দামও কমে যেতো। তিনি বলেন, দেশে গরু পালনে বিপুল খরচ হয়। আর এ কারণে দাম বাড়াতে বাধ্য হয় মাংস ব্যবসায়ীরা।

ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা বলেন, গাবতলী হাটের চাঁদাবাজির কারণে গোশতের দাম বাড়েনা। তাহলে ঢাকার বাইরে মাংসের দাম বাড়ত না। আর চাঁদাবাজি হলে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগও রয়েছে।

গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদারের পক্ষে সানোয়ার বলেন, একটি চক্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির মুখে ছেড়ে দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির সময় সিটি করপোরেশন নির্ধারিত হাসিল ছাগলের জন্য ৩৫, গরুর জন্য ১০০ ও মহিষের জন্য ১৫০ টাকা নেয়া হয়। গাবতলী হাটে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৮০০ পশু বিক্রি হয়। এই হাট প্রায় ১৬ কোটি টাকা দিয়ে ইজারা নেয়া হয়। কিন্তু সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ফি ছাড়া বাড়তি টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। ঢাকার আশপাশে বেশ কিছু হাট হওয়ায় এই হাটে বিক্রি আগের চেয়ে কমে গেছে। সেইসঙ্গে সরকারি নীতি অমান্য করে গাবতলী বেড়িবাঁধে ২৫-৩০টি গরুর ফার্ম থেকেও সরাসরি কিনছেন গোশত বিক্রেতারা। এই ক্ষতিটাও তাদের উপর পড়ছে। তবুও গাবতলী পশুর হাট কর্তৃপক্ষ সিটি করপোরেশন নির্ধারিত ফি ছাড়া কোনো বাড়তি টাকা নেয় না। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]