মঙ্গলে হদিস মিলছে না অপর্চুনিটির

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

সুস্মিতা সিকদার : নাসার বিজ্ঞানীরা ২০০৪ সালে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের জন্য রোভার ‘অপর্চুনিটি’ মঙ্গলে পাঠান। এটি মঙ্গলে অবতরণ করে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, রোভারটি তিনমাসে মঙ্গলে এক কিলোমিটারের মতো জায়গায় পরিভ্রমণ করবে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করে প্রায় ১৫ বছর ধরে এটি মঙ্গলের ৪৫ কিলোমিটার অংশ পরিভ্রমণ করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রেরণ করে। গত বছরের জুন মাসের ১০ তারিখে অপর্চুনিটি রোভার মঙ্গলের যে স্থানে ছিলো সেখানে প্রচ- ধূলিঝড় হয়েছিলো। ওই সময় বিজ্ঞানীরা অপর্চুনিটির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। প্রায় আট মাস অপর্চুনিটি থেকে কোন সংকেত না পেয়ে এ বছরের ফেব্রুয়ারীতে নাসা একে মৃত ঘোষণা করে।  নাসা, ডয়েচেভেলে

১৫ বছরের এই যাত্রায় রোভারটি বিস্ময়কর তথ্য সম্বলিত ছবি পাঠায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো, মঙ্গলের মাটিতে ছোট বড় গর্ত, পাহাড় এবং শিলার ছবি। এসব ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, একসময় মঙ্গলে পানির অস্তিত্ব ছিলো।

রোভারটি মঙ্গলের লাল রংয়ের ভূপৃষ্ঠের অনেক ছবি পাঠিয়েছে। এগুলো মঙ্গলের বৈচিত্র্যময়তা নিখুতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এই মিশন পরিচালনা করতে নাসার বিজ্ঞানীকে গুণতে হয়েছে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার। এবং এই মিশনটিতে যুক্ত ছিলেন প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা। অপর্চুনিটি হারিয়ে যাবার পর বিজ্ঞানীরা গত নভেম্বরে মঙ্গলে পাঠান ‘ইনসাইট’। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ইনসাইট তাদেরকে আরো নতুন নতুন তথ্য দেবে।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]