• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » সাক্ষাৎকারে বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ পার্থ নির্বাচনের পর ঐক্যফ্রন্টের ভূমিকা থাকার কথা না,তারা আগেই ডুয়েল খেলা আরম্ভ করেছে


সাক্ষাৎকারে বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ পার্থ নির্বাচনের পর ঐক্যফ্রন্টের ভূমিকা থাকার কথা না,তারা আগেই ডুয়েল খেলা আরম্ভ করেছে

আমাদের নতুন সময় : 13/05/2019

শাহানুজ্জামান টিটু : ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছিলো পুরো রাজনৈতিক প্লাটফর্মকে এক করার লক্ষ্যে। আরেক দিকে ছিলো ড. কামাল হোসেন একটা হেলথদি ফিগার, তাকে সামনে রাখা। যেহেতু ম্যাডাম জেলখানাতে আছেন। নির্বাচনের পর তো ঐক্যফ্রন্টের আর কোনো ভূমিকা থাকার কথা না। রাজনীতিটা ২০ দলের কাছে চলে যাওয়ার কথা। ২০ দলটা ছিলো রাজনীতি। আর ঐক্যফ্রন্ট ছিলো নির্বাচনভিত্তিক। ২০ দল পলিসি মেক করছে ২০ বছর ধরে। প্রথমে চার দল তারপর ১৮ দল এবং সর্বশেষ ২০ দল। পলিসি নির্ধারণ, হরতাল মিছিল মিটিং ইত্যাদি বিষয়গুলো বিএনপির স্ট্যাডিং কমিটি ও ২০ দল মিলে আমরা ঠিক করতাম। ঐক্যফ্রন্ট যখন আসলো তখন তো আমরা তাদেরকে অনেক জায়গা দিলাম। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের আমরা চেয়ার ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের বাদ দিয়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় গেছে। কারা গেছে তাদের নামও আমরা জানি না চিনিও না। আমরা তো সবকিছুই ছাড় দিয়েছি, বৃহত্তর স্বার্থে। তারপর রাজনীতিতো ওখানে থাকা ঠিক ছিলো না।

সদ্য ২০ দল ছেড়ে যাওয়া বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ পার্থ এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন। জোটে আর না ফেরার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের মোকাব্বির খানকে নিয়ে বিএনপি যাওয়ার আগে তাকে পাশে বসানো, এগুলোতে সন্দেহ আছে। বিএনপি তো পরে গেলো। তার আগেই তো ঐক্যফ্রন্ট ডুয়েল খেলা আরম্ভ করলো। এ বিষয়গুলো নিয়ে আপনি বিএনপির সঙ্গে কোনো কথা বলেছিলেন কিনা এর উত্তরে পার্থ বলেন, আমরা যখন সুযোগ পেয়েছি তখন বলেছি। গণশুনানী হয়েছে, এটা আমরা মিডিয়াতে দেখেছি। কিন্তু উচিত ছিলো ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্ট মিলে অনুষ্ঠানটা করা। কিন্তু তা তো হয়নি।

তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলা বিষয় প্রসঙ্গে পার্থ বলেন, না, তার সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আমি কথা বলেছি, মহাসচিব ও নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। মহাসচিব ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে বেশী ব্যস্ত থাকেন। এমনও মিটিং হয়েছে সেখানে মহাসচিব উপস্থিত ছিলেন না। আপনি দেখেন, যেভাবে পার্লামেন্টে গেলো, ১২০ দিন ধরে গালি দিয়ে, ১২১ দিনে চলে গেলো। এটাতো হয় না। এভাবে রাজনীতি হয় না। ১২০ দিন বলতেন, দেখি আমরা যাবো কিনা, ভেবে দেখি। এখন কী পার্লামেন্টে বলবেন, আপনারা ২৯৬ জন অবৈধ আমরা চারজন বৈধ? সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]