আজ শওকত ওসমানের মৃত্যুদিন, তিনি শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘বাপের বেটাই কেবল নয়, বাপের বেটিও হয়’

আমাদের নতুন সময় : 14/05/2019

দেবদুলাল মুন্না : শেখ আজিজুর রহমান , যিনি শওকত ওসমান নামে সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক। জন্মেছিলেন ১৯১৭সালের ২ জানুয়ারি। মারা যান আজকের দিনে ১৯৯৮ সালে। তার বিখ্যাত উপন্যাস  ক্রীতদাসের হাসি। তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), পাকিস্তান সরকারের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭)-এ ভূষিত হন। শওকত ওসমানের ছেলে জাঁ-নেসার ওসমান একজন  চলচ্চিত্র-নির্মাতা। তিনি তার বাবা’র স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন বিপথগামী নোংরা মানসিকতা-সম্পন্ন ঘাতকরা হত্যা করে তখন বাংলাদেশের একমাত্র বুদ্ধিজীবী ও কথাশিল্পী শওকত ওসমান ঘৃণাভরে বাংলাদেশ ত্যাগ করে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। আর এ নির্বাসনে তখন জননেত্রী শেখ হাসিনাও ভারতে মানসিক যাতনায় দিন কাটান। দিল্লির ওই বাসায় জননেত্রীকে সমবেদনা জানাতে আব্বা সাংবাদিক খাতিব চাচাকে নিয়ে দেখা করেন। তারা দুজন সারা দিন ওই বাসায় থাকেন। জননেত্রী নিজ হাতে রান্না করে ওই শত বিপদের মাঝেও যতটুকু পারেন আপ্যায়ন করেন। দিন শেষে আব্বা আর খাতিব চাচা শেখ হাসিনার বাসায় বিকালের নাস্তার পর বাংলাদেশের বিশিষ্ট পরমাণুবিজ্ঞানী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ওয়াজেদ স্যার উনাদের বড় রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। এর কিছুদিন পর শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। ফিরে এসে রাজারবাগের বাসায় কথাশিল্পী শওকত ওসমান অর্থাৎ আব্বার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি শত কাজের ভিড়েও মনে করে নোমান ও কবি আসলাম সানীকে দিয়ে আব্বাকে জন্মদিনের ফুলের তোড়া পাঠাতেন। আব্বা একবার লিখেছেন যে, বাংলা বাগধারায়- সবাই বলে, ‘আরে বাপের বেটা। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করলেন যে, ‘বাপের বেটাই কেবল নয়। বাপের বেটিও হয়।’




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]