• প্রচ্ছদ » » ইরান বিরোধী মার্কিন শক্তি-সমাবেশ প্রসঙ্গে


ইরান বিরোধী মার্কিন শক্তি-সমাবেশ প্রসঙ্গে

আমাদের নতুন সময় : 14/05/2019

মাসুদ রানা

পারস্য উপসাগরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি-সমাবেশ ইরানের ভাষায় ‘সাইকোলজিক্যাল ওয়ার’ হলেও দৃশ্যত : ইরানী নেতৃত্বের ভেতর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কারণ ইরানের প্রেসিডেণ্ট হাসান রোহানী বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি আশির দশকে ইরাকের সাথে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির চেয়ে কঠিনতর হতে পারে। অবশ্য ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পসের এ্যারোস্পেইসের প্রধান আমিরালি হাজিজাদেহ্বলেছেন, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী যা ৬ হাজার সৈন্য ও ৪০ থেকে ৫০টি যুদ্ধবিমান বহন করে, তা অতীতে তাদের জন্যে হুমকি ছিলো, কিন্তু বর্তমানের জন্য এটি একটি সুযোগ যেখানে ইরানের সক্ষমতা আছে মার্কিন আগ্রাসন ঘটলে তাদের মাথায় আঘাত করার।
সন্দেহ নেই, পারস্য পসাগরে মার্কিন সামরিক সমাবেশের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। স্পষ্টত শিয়া ইরানের বিরুদ্ধে সুন্নি আরব, ইহুদি ইসরায়েল ও ক্রিশ্চিয়ান মার্কিনীরা একজোট হয়েছে। আমার মতে, গত শতাব্দীর আশির দশকে ইরাকের সাথে যুদ্ধে-কালে ইরান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি বিচ্ছিন্ন ছিলো এবং তাদের সামরিক ক্ষমতা ও প্রকৌশলও ছিলো সীমিত। কিন্তু মার্কিন ও আরব-সমর্থিত ইরাকের বিরুদ্ধে এক দশকের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে দিয়ে ইরানের যে-অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা জন্মেছে এবং ইতোমধ্যে যে-আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্র বৃদ্ধি পেয়েছে মার্কিন-আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও, তা দেশটিকে আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে ইরাকের মতো একটি সহজলভ্য যুদ্ধলক্ষ্য মনে করে, তাতে তাদের মৌলিক ও ঐতিহাসিক ভুল হবে। ইরান আক্রমণ করলে মার্কিন ও তার সম্ভাব্য মিত্ররা একটা দীর্ঘস্থায়ী ও কঠিন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে, যা সম্ভবত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ লাভ করবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]