ঈদের কেনাকাটায়, মেয়েদের পচ্ছন্দ সুতি, হ্যান্ডপ্যাইন্ট, জামদানি কাপড়ের পোষাক

আমাদের নতুন সময় : 14/05/2019

তাপসী রাবেয়া : শবে বরাতের পরই শুরু হয়ে যায় ঈদ পোষাকের কেনাকাটার তোড়জোড়। কারো পচ্ছন্দ শোরুমের তৈরী পোষাক আবার কেউ পচ্ছন্দ করছেন কাপড় কিনে বানানো পোষাক।

ধানমন্ডি ইয়োলোর শোরুমে সন্ধ্যার পর প্রতিদিনই ভীড় কেনাকাটায়।

শোরুমের সেলস এক্সিকিউটিভ মাসুদ এ প্রতিবেদককে জানান, এবারের ঈদে পুরো গরমে। তাই আরামদায়ক কাপড় খুঁজছেন ক্রেতারা। এক্ষেত্রে ফ্যাশনে এবার অফ শোল্ডার কুর্তি, কামিজে লং কাটের কাপড় চলছে। তবে দেশীয় ম্যাটরিয়ালে কাপড়েই ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যাইল ব্যবহার হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শোরুম সেইলরে কেনাকাটা করতে আসা এক তরুণ বলেন, গরমের জন্য আরামদায়কের সঙ্গে ট্রেন্ডি কাপড় পচ্ছন্দ তাদের। এক্ষেত্রে এপ্লিক, এমব্রয়ডেরির সঙ্গে মাল্টি কালারের পঞ্জাবীই চলবে।

এডিসি এম্পোরিয়ামের বিভিন্ন দোকানীরা জানান বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখানে কেনাকাটা করছে। ঈদের জন্য তারা নিজেদের পচ্ছন্দের কাপড়ের অর্ডার করছেন তারা। ছেলেরা এন্ডি, কটন, আর দেশি তাতের পোষক কিনছেন।

এই মলে কেনাকাটা করতে আসা মালিহা মরিয়ম বলেন, দেশি কাপড়ে হ্যান্ডপ্যাইন্ট কিনছেন তিনি। নিজের মত করে দর্জি দিয়ে সেলাই করবেন বলেও জানান তিনি। ১১ বছরের মেয়ের জন্য কিনেছেন জামদানি কাপড়ের লং কামিজ।

আরেক ক্রেতা মেঘা নুসরাত বলেন, ইন্ডিয়ান লাক্ষৌ থ্রিপিস কিনছেন তিনি।

মেট্রো মলের দেশীয় কাপড়রের দোকান মেঠোপথের বিক্রেতা জানান গরমে বেক্সি ভয়েল, ভিসকস জর্জেট আর সুতি কাপড়ের কূর্তি পচ্ছন্দ করছেন ক্রেতারা। আর বিক্রিও হচ্ছে ভালোই।

আরেক দোকান দেশীয় তে কেনাকাটা করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, দেশীয় এসব দোকানের কাপড় আরামদায়ক আর দামেও কম।

তবে গজ কাপড় বিক্রেতারা বলছেন দেশি থ্রিপিসের চাইতে পাকিস্তানি বিভিন্ন ব্র্যান্ড মেয়েরা বেশি কেনে। এক্ষেত্রে পাকিস্তানি আগানূর, সানা সাফিনাজ, গুলআহমেদ, মারিয়া বি এসব ব্র্যান্ড বেশি চলে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]